স্বাস্থ্যবিধি মানছে না রাজধানীমুখী মানুষ

প্রকাশিত: ১:৩২ পূর্বাহ্ণ, মে ৩১, ২০২০

৩১ মে থেকে গণপরিবহন ‘সীমিত আকারে’ চলাচলের কথা থাকলেও সে সময় পর্যন্ত অপেক্ষা না করে বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ চরম ঝুঁকি নিয়ে ঢাকায় ফিরছেন। গতকালও আগের দিনগুলোর মতো ঢাকার পথে ছিলো মানুষের স্রোত। দেশের সব মহাসড়কে ছিলো রাজধানীমুখী মানুষের চাপ। ভিড় উপচে পড়েছে ফেরিঘাটগুলোতেও।

রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশ পথ যেমন- গাবতলী, আবদুল্লাহপুর, সায়েদাবাদ, মাওয়া ঘাটে দেখা গেছে রাজধানীমুখী মানুষের ভিড়।

সকাল থেকে যত সময় গড়িয়েছে এ ভিড় ততই বেড়েছে। গণপরিবহন বাদে সব ধরনের যানবাহনে রাজধানীতে প্রবেশ করেছেন ‘রাজধানীর অস্থায়ী’ বাসিন্দারা। পিকআপ ভ্যান, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, ইজিবাইক, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিলো তাদের বাহন। ব্যক্তিগত গাড়ির চাপও ছিলো মহাসড়কে।

সরেজমিনে রাজধানীর বিভিন্ন প্রবেশপথে বাড়তি ভাড়া গুণে, স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে সামাজিক দূরত্ব না মেনেই ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, সিএনজিতে গাদাগাদি করে ঢাকা ফেরার মানুষের ঢল লক্ষ্য করা গেছে। আজ অফিস খোলার কারণে গতকাল সকাল থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ দেখা গেছে। গণপরিবহন না থাকলেও বিপুলসংখ্যক মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, সিএনজি চালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল চলাচল করেছে।

অপরদিকে ঢাকাসহ দেশের সব জেলায় সরকারি-বেসরকারি অফিস খোলার কারণে গতকাল সকাল থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। করোনাভাইরাসের ঝুঁকি উপেক্ষা করে কোনো রকম তারা সামাজিক দূরত্ব না মেনেই ফেরিতে পারাপার হোন। সকাল থেকে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া প্রান্তের বিভিন্ন ফেরিঘাটে ঢাকামুখী এসব যাত্রীর চাপ দেখা গেছে। যাত্রীরা বলেন, অফিস খুলছে, সেই কারণে ঢাকায় যেতে হচ্ছে। গণপরিবহন না থাকার কারণে যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে দৌলতদিয়া আসতে হয়েছে বলে জানান তারা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসির) দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক মো. আবু আবদুল্লাহ রনি বলেন, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যাত্রী ও গাড়ি পারাপারের জন্য ১৪টি ফেরি রয়েছে। তবে নৌরুটে ৮টি ফেরি চলাচল করছে।

সূত্র কৃতজ্ঞতা- বাংলাদেশ প্রতিদিন।