স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ‘প্রয়োজন বুঝে’ রেড জোন ঘোষণা করবে: সরকার

প্রকাশিত: ৮:৪৫ অপরাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২০

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জোনিং সিস্টেম চালু হচ্ছে জানিয়ে সরকার বলেছে, ‘জোন ঘোষণার ক্ষমতা আইনানুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনের নিকট অর্পণ করা হয়’ এবং ‘তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সিভিল প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা ও সশস্ত্র বাহিনী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় জোনিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন।’

জোনিং সিস্টেম, তা বাস্তবায়ন, লকডাউন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে নানাবিধ নাগরিক বিভ্রান্তির মধ্যে আজ মঙ্গলবার বিকেলে সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে এসব কথা বলা হয়েছে।

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনাভাইরাস সংক্রমণের পরিমাণ হার বৃদ্ধি পাচ্ছে উল্লেখ করে তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, ‘ঢাকা সিটি করপোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংজ্ঞানুযায়ী যেখানে যখন প্রয়োজন তখন রেড জোন ঘোষণা করা হবে। কাজেই রেড জোন ঘোষণা বা রেড জোন পরিবর্তন একটি চলমান প্রক্রিয়া। স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই যখন প্রয়োজন তা করা হবে এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তা বাস্তবায়ন করবে। এই বিষয়ে সবার বিভ্রান্তি নিরসন হওয়া প্রয়োজন।’

নাগরিক সাধারণের জীবন-জীবিকা নির্বাহের বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকার কর্তৃক সারাদেশে ঘোষিত ৬৬ দিন সাধারণ ছুটির পর গত ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে বিভিন্ন অর্থনৈতিক কার্যক্রম চালু করা হয়।

দেশের বিভিন্ন এলাকায় কোভিড-১৯ রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে ১০ জুন কতিপয় নির্দেশাবলী জারি করা হয়। এই নির্দেশাবলীর উদ্দেশ্য কোভিড-১৯ রোগের চলমান ঝুঁকি বিচেনায় বাংলাদেশের যেকোনো ছোট বা বড় এলাকাকে লাল, হলুদ বা সবুজ জোন হিসেবে চিহ্নিত করা এবং তা বাস্তবায়ন করা।

এরই মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শক্রমে প্রাথমিকভাবে তিনটি জেলায় (গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী) এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের রাজাবাজার (পূর্ব রাজাবাজার) এবং দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়ারীতে পরীক্ষামূলকভাবে জোনিং সিস্টেম চালু করা হয়েছে।

ঢাকার ওয়ারীতে জোনিং সিস্টেম চালুর জন্য সুনির্দিষ্ট এলাকা চিহ্নিতকরণের কাজ চলছে বলেও আজকে সরকারি তথ্য বিররণীতে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে আশা করা হয়েছে, এই পরীক্ষামূলক জোনিং সিস্টেমের অভিজ্ঞতা দেশের অন্যান্য এলাকায় জোনিং সিস্টেম চালু বা পরিবর্তনের বিষয়ে সহায়ক হবে।