সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ১৪ প্রতিষ্ঠান কালো তালিকাভুক্ত

প্রকাশিত: ১২:৫৬ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৬, ২০২০

চলমান করোনাভাইরাস মহামারীর এই সময়ে চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ে দুর্নীতি ও সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চৌদ্দটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

গত ৯ জুন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের ক্রয় ও সংগ্রহ অধিশাখার উপসচিব হাসান মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মতামত ব্যক্ত করা হয়।

দুদকের তালিকাভুক্ত ওই ১৪ ঠিকাদারের মধ্যে রয়েছে রহমান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল ও রূপা ফ্যাশনের স্বত্বাধিকারী ও দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কেরানী আফজাল হোসেনের স্ত্রী রুবিনা খানম, মেসার্স অনিক ট্রেডার্সের মালিক আবদুল্লাহ আল মামুন, মেসার্স আহমেদ এন্টারপ্রাইজের মালিক মুন্সী ফররুখ হোসাইন, মেসার্স ম্যানিলা মেডিসিন অ্যান্ড মেসার্স এসকে ট্রেডার্সের মালিক মনজুর আহমেদ, এমএইচ ফার্মার মালিক মোসাদ্দেক হোসেন, মেসার্স অভি ড্রাগসের মালিক মো. জয়নাল আবেদীন, মেসার্স আলবিরা ফার্মেসির মালিক মো. আলমগীর হোসেন, এসএম ট্রেডার্সের মালিক মো. মিন্টু, মেসার্স মার্কেন্টাইল ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মালিক মো. আবদুস সাত্তার সরকার ও মো. আহসান হাবিব, বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোংয়ের মালিক মো. জাহের উদ্দিন সরকার, ইউনিভার্সেল ট্রেড করপোরেশনের মালিক মো. আসাদুর রহমান, এএসএলের এমডি ও সিইও আফতাব আহমেদ ও বেয়ার এভিয়েশনের মালিক মো. মোকছেদুল ইসলাম।

সেই চিঠিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের অভিমতের আলোকে সরকারি অর্থের যাথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণসহ ক্রয় কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনয়ন এবং দুর্নীতি, প্রতারণা ও চক্রান্তমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধকল্পে ১৪টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসহ উক্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীগণের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের রুজুকৃত মামলার তালিকা প্রেরণ করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসহ প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীগণকে কালো তালিকাভুক্ত করা প্রয়োজন মর্মে অভিমত ব্যক্ত করা হয়।