সংক্রমণের আশঙ্কায় গণপরিবহণে যাত্রী কম

প্রকাশিত: ৭:৪৩ অপরাহ্ণ, জুন ২৫, ২০২০

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে গণপরিবহণ চালু হলে স্বাস্থ্যবিধি কতটা মানা যাবে, তা নিয়ে শঙ্কা থাকলেও বাস চলাচল শুরুর পর থেকে যাত্রীই পাওয়া যাচ্ছে না। দূরপাল্লার পথে মাত্র এক-চতুর্থাংশ বাস চলছে, দাবী মালিকদের। আর রাজধানীর গণপরিবহণে বাস চলাচল এখনো অনেকটাই সীমিত। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অর্ধেক বাস চলছে রাজধানীতে।

৬৭ দিন বন্ধ থাকার পর ১ জুন থেকে রাজধানীসহ সারাদেশে বাস-মিনিবাস চালু হয়েছে। সরকারের সিদ্ধান্ত ছিলো, প্রতিটি বাসে অর্ধেক আসন ফাঁকা রেখে চালাতে হবে। তবে যাত্রী কম বলে স্বাস্থ্যবিধির এই কড়াকড়ি না মানার মতো পরিস্থিতিই তৈরি হয় নি।

সাধারণ মানুষ জানায়, ভয়-আতঙ্কের কারণে তারা একান্ত প্রয়োজন ছাড়া যাতায়াত করছে না। ঘর থেকে বের হলেও এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছেন গনপরিবহণ।

পরিবহণ মালিক-শ্রমিকেরা জানায়, পুরোদমে ব্যবসা-বাণিজ্য চালু না হওয়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকা, সরকারি-বেসরকারি অফিসে চাকরিজীবীদের উপস্থিতি কমে যাওয়াই গনপরিবহণে যাত্রী কম থাকার কারণ।

এদিকে, দুরপাল্লারও একই অবস্থা। দেশের বিপণিবিতান ও বড় ব্যবসাকেন্দ্রগুলো এখনো পুরোদমে চালু না হওয়ায় দূর-দূরান্তের মানুষ ঢাকা থেকে মালামাল সংগ্রহ কিংবা অন্য ব্যবসায়িক কাজে আসছেন না।

অর্ধেক আসন ফাঁকা রাখার শর্তের কারণে সরকার বাসের ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ালেও বাস মালিকেরা বলছেন, যাত্রী না থাকায় এখন বাস চালালে যত লোকসান হয়, বসিয়ে রাখলে এর চেয়ে কম লোকসান হবে। তবে, চালক-শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে বাস চালু রেখেছেন তারা।

এভাবে চলতে থাকলে পরিবহণ ব্যবস্থা আরও ক্ষতির মুখে পড়বে বলে আশংকা তাদের।