লক্ষণ দেখা দিলেও করোনা পরীক্ষা না করা উদ্বেগের বিষয়: সেতুমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১১:২১ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০২০
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

নভেল করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন- নমুনা পরীক্ষায় ফি নির্ধারণের ফলে অনেক অসহায়, কর্মহীন, দরিদ্র মানুষ করোনার লক্ষণ দেখা দিলেও পরীক্ষা করাতে আসে না, এটি অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। অসহায় মানুষগুলোর সামর্থ্য বিবেচনায় নিয়ে এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট বিভাগের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

গতকাল মঙ্গলবার তাঁর সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন সেতুমন্ত্রী।

ওবায়দুল কাদের ল্যাবগুলোর সক্ষমতা অনুযায়ী পরীক্ষা করতে প্রয়োজনীয় সামগ্রী প্রেরণে স্বাস্থ্য বিভাগের কার্যকর ও দ্রুত উদ্যোগ প্রত্যাশা করে বলেন- ‘ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য বিভাগের মাঝে সমন্বয়ের অভাব আছে। গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী করোনার চিকিৎসা, সংক্রমণ রোধ এবং অন্যান্য রোগের চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে সু-সমন্বয় প্রতিষ্ঠা জরুরি।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন- ‘করোনা পরীক্ষার ভুয়া সনদ যেমন উদ্বেগ বাড়িয়েছে অন্যদিকে বিদেশে দেশের ইমেজ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ ধরণের অপকর্ম নিন্দনীয় ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ভবিষ্যতে আর কোনো প্রতিষ্ঠান যেনো এ ধরণের অপরাধ করতে না পারে সে জন্য সংশ্লিষ্টদের নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আরও বলেন- ‘দেশের প্রায় ১৫টি জেলায় বন্যা দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য জেলাযও বন্যায় প্লাবিত হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের এমন আশঙ্কা রয়েছে। এমন পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ত্রাণ মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই পানিবন্দি মানুষকে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। বন্যার পানিতে মানুষের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি ফসল, গবাদিপশুসহ অন্যান্য সম্পদ বিনষ্ট হচ্ছে। সরকার পানিবন্দি মানুষকে ইতোমধ্যেই সরিয়ে নিয়েছে আশ্রয় কেন্দ্রে। প্রায় এক হাজার আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দুর্গত এলাকার মানুষের মাঝে রান্না করা খাবার সরবরাহ এবং মানবিক সহায়তায় প্রশাসনকে সহযোগিতার জন্য আওয়ামী লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের।

বিভিন্ন জেলায় কোরবানির পশুরহাটে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না, ক্রেতা-বিক্রেতার অবাধ বিচরণ এবং স্বাস্থ্যবিধি পালনে অবহেলায় পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তুলতে। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন- ‘পশুরহাটের ইজারা গ্রহীতা, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ বিভাগসহ সবার প্রতি পশুরহাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ওপর কঠোরতা প্রদর্শনের অনুরোধ রইলো।’