রোহিঙ্গা প্রশ্নে দোলাচলে দিল্লি

প্রকাশিত: ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ৫, ২০২০
গত সপ্তাহে বাংলাদেশ-ভারত ৬ষ্ঠ যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠকে ঢাকার পক্ষ থেকে নয়াদিল্লিকে অনুরোধ করা হয়েছিল, কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়া ১০ লাখ রোহিঙ্গাকে মিয়ানমার যাতে ফিরিয়ে নেয়, তার জন্য সক্রিয় দূতিয়ালি করতে। অর্থাৎ, মিয়ানমার সরকারকে এ ব্যাপারে চাপ দিতে। কিন্তু গতকাল ভারতের পররাষ্ট্র সচিব হর্ষবর্ধন শিংলা ও মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব ইউ সো হান-এর বৈঠকে বিষয়টি তুলতে দেখা গেল না নয়াদিল্লিকে।

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলো নিয়ে দুই পররাষ্ট্র সচিবের কথা হয়েছে। জাপানের সঙ্গে ভারতের সহযোগিতায় সেখানে ১৫টি স্কুল তৈরির কথাও হয়েছে। কিন্তু বৈঠকের পরে যে বিবৃতিটি নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে, তাতে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির থেকে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়া নিয়ে কোনো কথা বলা হয়নি।

এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব বলেন, ‘‘রাখাইন প্রদেশের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নিয়ে কথা হয়েছে।’’

সম্প্রতি ভারত ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের (জেসিসি) বৈঠকের পর যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়েছিল, জোর করে তাড়িয়ে দেওয়া রোহিঙ্গাদের দ্রুত, নিরাপদ ও স্থায়ী প্রত্যাবর্তনের গুরুত্বের দিকটি দুই মন্ত্রীই তুলে ধরেছেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে বলেছিলেন, ঢাকা আশা করছে, জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে ভারত রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরানোর প্রশ্নে অর্থপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আনন্দবাজার