রেড জোনের সামগ্রিক নিয়মনীতি

প্রকাশিত: ৮:৫৩ অপরাহ্ণ, জুন ১৬, ২০২০

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জোনিং সিস্টেম চালু হচ্ছে জানিয়ে সরকার বলেছে, ‘জোন ঘোষনার ক্ষমতা আইনানুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনের নিকট অপর্ন করা হয়’ এবং ‘তিনি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সিভিল প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা ও সশস্ত্র বাহিনী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় জোনিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবেন।’

জোনিং সিস্টেম, তা বাস্তবায়ন, লকডাউন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে নানাবিধ নাগরিক বিভ্রান্তির মধ্যে আজ মঙ্গলবার বিকেলে সরকারের এক তথ্য বিবরণীতে এসব কথা বলা হয়েছে।

এই পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি তথ্য বিররণীতে প্রাথমিকভাবে রেড জোনের জন্য যেসব বিধিনিষেধ নির্ধারণ করা হয়েছে সেগুলো নিম্নরূপ-

‘বাসা থেকে অফিস, রিকশা-গাড়ি চলবে না’

১. স্বাস্থ্যবিধি মেনে বর্ধিত সময়ে কৃষিকাজ কাজ করা যাবে।

২. স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রামাঞ্চলে কলকারখানা ও কৃষি পণ্য উৎপাদন কারখানায় কাজ করা যাবে। তবে শহরাঞ্চলে সব বন্ধ থাকবে।

৩. বাসা থেকেই অফিসের কাজ করতে হবে।

৪. কোনো ধরণের জনসমাবেশ করা যাবে না। কেবল অসুস্থ ব্যক্তি হাসপাতালে যেতে পারবেন।

৫. স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুধু প্রয়োজনে বাসা থেকে বের হতে পারবেন। রিকশা, ভ্যান, সিএনজি, ট্যাক্সি বা নিজস্ব গাড়ি চলাচল করবে না।

৬. সড়ক পথ, নদীপথ ও রেলপথে জোনের ভিতরে কোনো যান চলাচল করবে না।

৭. জোনের ভিতরে ও বাহিরে মালবাহী নৌযান ও জাহাজ কেবল রাতে চলাচল করতে পারবে।

৮. প্রত্যেক এলাকায় সীমিত পরিমাণে প্রবেশ ও বহিরাগমন পয়েন্ট নির্ধারণ করে কঠোরভাবে জনগণের যাতায়াত নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

৯. এই জোনের অন্তর্গত মুদি দোকান ও ওষুধের দোকান খোলা থাকবে। রেস্টুরেন্ট ও খাবার দোকানে কেবল হোম ডেলিভারি সার্ভিস চালু থাকবে। বাজারে শুধু প্রয়োজনে যাওয়া যাবে। তবে শপিংমল, সিনেমা হল, জিম/ স্পোর্টস কমপ্লেক্স, বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

১০. আর্থিক লেনদেনবিষয়ক কার্যক্রম যেমন টাকা জমাদান/ উত্তোলন স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেবল এটিএমের মাধ্যমে করা যাবে। তবে সীমিত ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে।

১১. এলাকার রোগীদের পর্যাপ্ত কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা করা হবে। শনাক্ত রোগীরা হোম আইসোলেশন বা প্রাতিষ্ঠানিক আইসোলেশনে থাকবে।

১২. শুধু মসজিদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মসজিদ/উপাসনালয়ে সামাজিক দূরত্ব রেখে ইবাদত করতে পারবেন।