রিজেন্ট চুক্তি নিয়ে স্বাস্থ্যের ডিজির জবাব

প্রকাশিত: ৫:৪৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৫, ২০২০

করোনাভাইরাস পরীক্ষা ও চিকিৎসা নিয়ে রিজেন্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের চাওয়া ব্যাখার জবাব দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ। জবাবে তিনি বলেছেন- ‘সেই চুক্তি করা হয়েছিলো সাবেক স্বাস্থ্য সচিব আসাদুল ইসলামের মৌখিক নির্দেশে।’

আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য সচিব আবদুল মান্নানের কাছে জবাব সংবলিত কাগজপত্র জমা দেন অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মাইদুল ইসলাম প্রধান বিকেলে গণমাধ্যমকে বলেন- ‘দুপুর পৌনে ১২টার দিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি এসেছিলেন। জবাব সংবলিত চিঠি দিয়ে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তিনি সচিবালয় ত্যাগ করেন।,

এদিকে স্বাস্থ্য সচিব আবদুল মান্নান জানান- ‘মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ লিখিত জবাব দিয়েছেন, আমরা সেটি পেয়েছি। সেই জবাবের সঙ্গে তিনি অনেক কাগজ সংযুক্তি দিয়েছেন। সেগুলো পর্যালোচনা করা হবে। আমরা দেখব, তার কাছে যা জানতে চেয়েছি সেগুলো তার জবাবে আছে কি-না। জবাবে সন্তুষ্ট হলেও আমরা লিখিতভাবে জানাব এবং সন্তুষ্ট না হলে ব্যবস্থা নেব, পরে তা আপনারা জানবেন।’

স্বাস্থ্য সচিব আরও বলেন- ‘মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, রিজেন্টের সঙ্গে চুক্তির লিখিত আদেশ এই ব্যাখ্যার সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে কি-না। অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন- সেই চুক্তি করা হয়েছিলো সাবেক স্বাস্থ্য সচিব আসাদুল ইসলামের মৌখিক নির্দেশে। যিনি বর্তমানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার উত্তরের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ চলছে।’

এর আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- মার্চ মাসে যখন কোনো হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগী ভর্তি নিচ্ছিলো না, তখন রিজেন্ট হাসপাতাল কোভিড ডেডিকেটেড হিসেবে চুক্তি করার আগ্রহ প্রকাশ করে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সে সময় রিজেন্ট হাসপাতালের সঙ্গে চুক্তি করে। এই চুক্তির আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে চিনতেন না, পরিচয় থাকা তো দূরের কথা।

এরপর গত ১২ জুলাই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শারমিন আকতার জাহান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। এতে ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ’ বলতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কী বোঝাতে চেয়েছেন সে বিষয়ে তার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।