রাষ্ট্রীয় মালিকানায় আর কোনো পাটকল চলবে না

প্রকাশিত: ৬:২৮ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২০

রাষ্ট্রীয় মালিকানায় আর কোনো পাটকল চলবে না বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। তিনি জানান- বন্ধের পর মিলগুলো চলবে সরকারি-বেসরকারি অংশিদারিত্ব বা পিপিপি’র আওতায়। তবে তার আগে পরিশোধ করা হবে শ্রমিকদের বকেয়া বেতন-ভাতা। এজন্য বাজেট হতে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন পাটকল করপোরেশন-বিজেএমসির ব্যবস্থাপনায় চালু কারখানার সংখ্যা ২৫টি। স্থায়ী-অস্থায়ী মিলে ২৬ হাজার শ্রমিক কাজ করেন এসব কারখানায়। সরকার বলছে- পুরাতন যন্ত্র, শ্রমিকদের উচ্চ বেতন, দুর্বল বিপণন আর অনিয়মের কারণে প্রতি বছর ৫-৬শ কোটি টাকা লোকসান গুনছে কলগুলো। সরকার থেকে থোক বরাদ্দ দিয়ে সংকট মেটানো হলেও প্রায় সময়ই বেতনের দাবিতে সড়কে নামতে হয় পাটকল শ্রমিকদের। সরকারের দাবি, পাটকলগুলো লাভজনক করতেই বন্ধের সিদ্ধান্ত।

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী জানান- রাষ্ট্রায়ত্ত ২৫টি পাটকলে এই মুহূর্তে ২৪ হাজার ৮৮৬ জন স্থায়ী শ্রমিক রয়েছেন। তাদের গোল্ডেন হ্যান্ডশেকের মাধ্যমে অবসর দেওয়া হবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিও পাওয়া গেছে। আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাদের পাওনা পরিশোধ করা হবে বলেও জানান পাটমন্ত্রী। তিনি আন্দোলনরত পাটকল শ্রমিকদের ঘরে ফিরে যাওয়ারও অনুরোধ করেন।

তবে পাটকল বন্ধের আগে ২০১৪ সাল হতে অবসর নেয়া শ্রমিকদের প্রাপ্য একসাথে শতভাগ পরিশোধ করা হবে। এজন্য বাজেট হতে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হবে। বন্ধের পর সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব-পিপিপি’র ভিত্তিতে নতুন ব্যবস্থাপনায় এসব পাটকল আবার চালু করা হবে। তবে চাকরির নিশ্চয়তা থাকবে পুরোনো শ্রমিকদের। পাটকলগুলোতে অন্য কোনো পণ্যের কারখানা স্থাপন করা যাবে না।