মহামান্য হাইকোর্টকে দেশের আইসিইউ ব্যবস্থা সম্পর্কে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

প্রকাশিত: ১০:৪৪ পূর্বাহ্ণ, জুন ১১, ২০২০

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোর ৭৩৩টি নিবিড় পরিচর্যা ইউনিট (আইসিইউ)’র ভেতরে করোনা আক্রান্তদের জন্য ২৩৫টি আইসিউ রয়েছে বলে হাইকোর্টকে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

করোনা রোগীদের চিকিৎসায় চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে ১৭টি সরকারি হাসপাতালে ২৩৫টি আইসিইউ স্থাপন করা হয়। বুধবার একটি রিটের আবেদনের শুনানি চলাকালে আদালতকে এই তথ্য জানান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত তালুকদার।

অমিত তালুকদার হাইকোর্টকে জানান, ডিজিএইচএস কেন্দ্রীয়ভাবে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ করছে এবং হটলাইনের মাধ্যমে পরামর্শ দিচ্ছে। গত ৮ জুন বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিমের বেঞ্চের এক আদেশের পর অমিত তালুকদার আজ এই তথ্য উপস্থাপন করেন। এ বিষয়ে পরবর্তী শুনানির জন্য ১৪ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে।

এর আগে বিচারপতি এম এনায়েতুর রহিমের হাইকোর্ট বেঞ্চ দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউর সংখ্যা এবং কীভাবে রোগীরা এর সুবিধা পাবে তা জানতে চান। একইসাথে করোনা রোগীদের কেন্দ্রীয়ভাবে কোন উপায়ে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে ও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে সেটাও জানতে চান বেঞ্চ।

এ নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক চিঠিতে করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসায় ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের ১৭টি হাসপাতালে ২৩৫টি আইসিইউ স্থাপন করা হয়েছে বলে জানানো হয়। এর মধ্যে ঢাকার বাইরে নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতালে ১০টি, মহানগর হাসপাতালে ৫টি, লালকুঠি হাসপাতালে ৫টি, গোলাপগঞ্জ হাসপাতালে ১০টি, বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ৭টি, সিলেট শহীদ সামসুদ্দিন হাসপাতালে ৯টি, চট্রগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ১০টি, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০টি, খুলনা ডায়াবেটিস হাসপাতালে ১০টি, বরিশাল জেলা হাসপাতালে ১০টি, রংপুর শিশু হাসপাতালে ১০টি, ময়মনসিংহ এসকে হাসপাতালে ৫টি আইসিইউ রয়েছে।

এছাড়া রাজধানী ঢাকার ভেতরে শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইন্সটিটিউটে ১৬টি, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ১৬টি, কুয়েত মৈত্রি হাসপাতালে ২৭টি, বসুন্ধরা আইসোলেশন হাসপাতালে ৫০টি, ডিএনসিসি ফিল্ড হাসপাতালে ২৫টিসহ সর্বমোট ২৩৫টি আইসিইউ রয়েছে।