ভারতে ২০ লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে হোয়াটসঅ্যাপ

প্রকাশিত: ১০:৩৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৬, ২০২১

বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ভারতে ২০ লাখের বেশি অ্যাকাউন্ট (ব্লক) বন্ধ করে দিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। গত মে ও জুন মাসে অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করা হয়েছে।

এর কারণ হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ বলেছে, একজন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ যতজনকে বার্তা ফরোয়ার্ড করতে পারেন, শতকরা ৯৫ ভাগ অ্যাকাউন্টধারী সেই সীমা লঙ্ঘন করেছেন।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের বিতর্কিত নতুন তথ্যপ্রযুক্তি আইন মেনে প্রথমবারের মতো মাসিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে হোয়াইটসঅ্যাপ। সেখানেই ২০ লাখ অ্যাকাউন্ট বাতিলের তথ্য এসেছে।

হোয়াটসঅ্যাপের সবচেয়ে বড় বাজার হচ্ছে ভারত। দেশটিতে ৪০ কোটির বেশি মানুষ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। ফেসবুকের মালিকানাধীন এই মেসেজিং সেবাটির কর্তৃপক্ষ বলেছে, তাদের মূল লক্ষ্য ছিল ভারতে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে ক্ষতিকর ও অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা আদান–প্রদান কমানো।

হোয়াটসঅ্যাপ তাদের মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বজুড়ে প্রতি মাসে ৮০ লাখের বেশি অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে।

হোয়াটসঅ্যাপের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ১৫ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত ভারতে অস্বাভাবিক ও উচ্চহারে বার্তা পাঠানোর অভিযোগে ২০ লাখ অ্যাকাউন্ট বাতিল করা হয়।

ভারতে অনলাইনে ভুয়া খবর ও তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। হোয়াটসঅ্যাপে ছড়ানো বিভিন্ন ভুয়া ও প্রতারণাপূর্ণ লিংক মুহূর্তেই হাজার হাজার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা বাস্তবে ঠেকানো প্রায় অসম্ভব।

এর আগে হোয়াটসঅ্যাপে এ ধরনের বার্তা ছড়িয়ে সহিংসতার ঘটনাও ঘটেছে, কয়েকজন মারাও গেছেন।

হোয়াটসঅ্যাপ কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা ব্যবহারকারীর অনুরোধ মেনে ভুয়া খবর ঠেকাতে এবং প্ল্যাটফর্মটির অপব্যবহার রোধে নিজস্ব প্রযুক্তি প্রয়োগ করেছে।