বেশিরভাগ হাসপাতালে নেই অক্সিজেন প্ল্যান্ট

প্রকাশিত: ২:৪৫ অপরাহ্ণ, জুন ২৫, ২০২০

দেশে প্রথম করোনা শনাক্তের তিন মাস পরও কোভিড-নাইন্টিন রোগীদের চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত বেশিরভাগ হাসপাতালেই চালু হয় নি সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট। এতে একদিকে যেমন অপচয় হচ্ছে সময় ও শ্রমের, অন্যদিকে ঝুঁকির আশংকা নিয়েই চলছে করোনার চিকিৎসা। শুধু সিলিন্ডার দিয়ে অক্সিজেন সরবরাহ করা হলে পরিস্থিতি সামাল দেয়া কঠিন হবে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

দেশে প্রতিনিয়ত বাড়ছে করোনা শনাক্তের সংখ্যা, দীর্ঘ হচ্ছে মৃতের তালিকা। তবে, আক্রান্তের অনুপাতে হাসপাতালে যেতে হয় কমসংখ্যক রোগীকে। শুধু শ্বাসকষ্টসহ অন্যান্য জটিলতা দেখা দিলেই হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। ঝুঁকিপূর্ণ বেশিরভাগ কোভিড রোগীর জীবন বাঁচাতে প্রয়োজন অক্সিজেন সুবিধা।

রোগী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাহিদা বাড়ছে অক্সিজেনের। কিন্তু, কোভিড চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত হাসপাতালের বেশিরভাগেরই নেই সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট। যে দুয়েকটি হাসপাতালে প্ল্যান্ট আছে, সেগুলোতে আবার ওয়ার্ডের বেডে অক্সিজেন সরবরাহের ব্যবস্থা নেই। এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু সিলিন্ডার দিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে অক্সিজেন সরবরাহ সম্ভব নয়।

শুরু থেকেই কভিড চিকিৎসার জন্য নির্দিষ্ট হাসপাতাল কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী ও কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালেও এখনো চালু হয় নি কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থা। কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ, পোস্ট অপারেটিভ, ওটি- এসব জায়গায় কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থা থাকলেও সাধারণ ওয়ার্ডে সেই ব্যবস্থা নেই। একই অবস্থা করোনা চিকিৎসা দেয়া বেশিরভাগ বেসরকারি হাসপাতালেও।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম সহকারী পরিচালক বলেন, সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট বসানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

এদিকে, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট ছাড়া পরিস্থিতি সামাল দেয়া কঠিন হবে।

কভিড- ১৯ রোগীর চিকিৎসায় নতুন হাসপাতাল নির্বাচনের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।