বিজ্ঞানভিত্তিক করোনা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জরুরি: ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত: ৫:০৫ অপরাহ্ণ, জুন ২৬, ২০২০
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে ব্যবহৃত সুরক্ষা সামগ্রী যত্রতত্র ফেলে রাখায় স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে উল্লেখ করে এগুলোর বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ শুক্রবার রাজধানীর সংসদ ভবন এলাকায় নিজের সরকারি বাসভবনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন- ‘করোনা সংক্রমণ রোধ এবং চিকিৎসায় যেসব সুরক্ষা সামগ্রী ব্যবহার হচ্ছে সেগুলোর যথাযথ বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনা জরুরি। যত্রতত্র মাস্ক, গ্লাভস, স্যানিটাইজার, কৌটা ইত্যাদি ফেলে রাখায় একদিকে দূষণ বাড়ছে, অপরদিকে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন- ‘এসব পরিত্যক্ত সামগ্রী নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি। পাশাপাশি হাসপাতালের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা যাতে স্বাস্থ্যসম্মত হয় সেদিকে সংশ্লিষ্টদের নজর দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

বিএনপি করোনা সংকটের শুরু থেকে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দলের ভূমিকা পালন না করে সরকারের সমালোচনাকে নিজেদের রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে নিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

এতে বিএনপির জনসমর্থন বেড়েছে কিনা- সেই প্রশ্ন রেখে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন- ‘শেখ হাসিনার সরকার শুরু থেকে নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও দিনরাত পরিশ্রম করে সংক্রমণ রোধ, চিকিৎসা নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, সুরক্ষা সামগ্রী সংগ্রহসহ কর্মহীন অসহায় মানুষের সুরক্ষায় কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ জগতের তাবৎ সমৃদ্ধ শক্তির দেশগুলো সীমাবদ্ধতা নিয়ে কাজ করার বিরুদ্ধে লড়াই করছে।’

ওবায়দুল কাদের বলেন- ‘সরকার সব সময় সবার সহযোগিতা চেয়ে আসছে। যেকোনো গঠনমূলক পরামর্শ কিংবা ভুল ধরিয়ে দিলে সেটা গ্রহণ করার সৎসাহস শেখ হাসিনা সরকারের আছে। সমস্যা থেকে উত্তরণে বিএনপি কোনো সাজেশন রাখছে না শুধু অন্ধ সমালোচনাকে রুটিন ওয়ার্কে পরিণত করেছে।’

এ সময় সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘গণপরিবহণের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যাত্রী সংকটে রয়েছে। দূরপাল্লার বাস চলছে স্বল্পসংখ্যক। অথচ কিছু পরিবহণ অধিক ভাড়া আদায় করছে এমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। আমি বিআরটিএকে এ বিষয়ে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছি। অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলেছি।’