বিএনপি নেতারা সুরক্ষা সামগ্রীর আবেদন করলে দেয়া হবে: কাদের

প্রকাশিত: ৬:৪৮ অপরাহ্ণ, জুন ১৪, ২০২০

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সংকট উত্তরণে বিএনপির পক্ষ থেকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে সাত দফা সুপারিশ করেছেন সরকার এর চেয়ে অনেক বেশি সুসমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

আজ রবিবার এক বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের এ নেতা এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরও বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও তার দল বিএনপি এই সংকটময় মুহূর্তে জনগণের পাশে না দাঁড়িয়ে রাজনীতিতে যে দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছেন তা জাতীয় মেমোরিতে দীর্ঘদিন ক্ষতের চিহ্ন বহন করবে।

তিনি বলেন, করোনা মোকাবিলায় প্রত্যেকটি পর্যায় বিচার-বিশ্লেষণ করে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ চলমান রয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সম্মুখযোদ্ধাদের জন্য মানসম্মত স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী প্রদান করা হচ্ছে। এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ উত্থাপন করতে পারে নি। এ সকল সম্মুখযোদ্ধাদের পাশাপাশি বিএনপির নেতৃবৃন্দের স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য সুরক্ষা সামগ্রীর প্রয়োজন পড়লে আবেদনের প্রেক্ষিতে সরকারের পক্ষ থেকে তা প্রদান করা হবে।

কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্ব ও দক্ষতায় করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই সরকার সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে কাজ করে চলেছে। সাধারণ ছুটির শুরু থেকেই পেশাদার বেসামরিক প্রশাসনের পাশাপাশি দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে চলেছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় এলাকাভিত্তিক লকডাউন ঘোষণা করে সামরিক-বেসামরিক প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে তা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রত্যেক জেলায় করোনা শনাক্তকরণ ও চিকিৎসাসেবা দ্রুত সম্প্রসারণের দাবি জানিয়েছেন। মির্জা ফখরুল ইসলামের উত্থাপিত দাবির অনেক আগে থেকেই সরকার সারাদেশে করোনা শনাক্তকরণ ও চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের কাজ করে চলেছে। এবারের বাজেটে এর জন্য আলাদা বরাদ্দও রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারের বিরুদ্ধে তথ্য গোপনের ইঙ্গিতপূর্ণ অভিযোগ উত্থাপনের চেষ্টা করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকার কখনও তথ্য গোপনের রাজনীতি করে না। করোনাভাইরাসে সৃষ্ট সংকট একটি বৈশ্বিক সমস্যা। এটি জাতীয় বা সরকারের গৃহীত নীতির ফলে উদ্ভূত কোনো সমস্যা নয়। সুতরাং এটা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তথ্য গোপনের কোনো প্রশ্নই আসে না।