বাড়ছে যমুনার পানি, বাড়ছে দুর্ভোগ

প্রকাশিত: ১:৩৬ অপরাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২০

সিরাজগঞ্জে বেড়েই চলছে যমুনা নদীর পানি। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় প্রতিদিন প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। পানি বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে বানভাসি মানুষের দুর্ভোগ।

রবিবার (২৯ জুন) সকালে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী এ কে এম রফিকুল ইসলাম জানান- গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি ২০ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে সকাল ৬ টায় বিপদসীমার ২৬ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিলো।

জেলার কাজিপুর উপজেলা পয়েন্টে যমুনা নদীর বৃদ্ধি পায় ২৯ সেন্টিমিটার এবং তা সকালে বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার উপয় দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিলো। যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।

এদিকে, যমুনা নদী অধ্যুষিত সিরাজগঞ্জ সদর, কাজিপুর উপজেলা, বেলকুচি উপজেলা চৌহালী উপজেলা ও শাহজাদপুর উপজেলার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের বসতবাড়িতে পানি ঢুকে পড়ায় দরিদ্র অসহায় মানুষেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তারা সহায়সম্বল, গবাদিপশু নিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ও উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন। অনেকে ঘরের খাট- চৌকি দিয়ে মাচাং বানিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে গাদাগাদি করে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জ্বালানি, শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে বানভাসি পানিবন্দী মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে।

কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাহিদ হাসান জানান- যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পূর্বদিক দিয়ে নদীর পানি উঁপচে পড়ে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার রতনকান্দি হাটখোলা- কাজিপুর উপজেলার শুভগাছা ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত দেড় কিলোমিটার দৈর্ঘ্যর পাকা সড়কটি ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া শুভগাছা ইউনিয়নের পানিবন্দী মানুষদের জন্য ২৩ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পানিবন্দী মানুষদের তালিকা করে তাদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।