ঢাকা, শনিবার ১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ | ১০ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি

‘বানান-বিষয়ক বিতর্ক’ নিয়ে বাংলা একাডেমির বক্তব্য


প্রকাশিত: ৩:১৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ১৪, ২০২০

সম্প্রতি কয়েকটি বাংলা বানান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত হয়েছে — ‘গরু’ না কি ‘গোরু’ বানান। এমন পরিস্থিতিতে বানান-বিষয়ক চলমান বিতর্ক নিরসনে বাংলা একাডেমি তাদের ওয়েবসাইটে নোটিশ জারি করে একটি ব্যাখ্যা দিয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বাংলা একাডেমির ওয়েবসাইটে নোটিশটি দেওয়া হয়েছে।

 

‘বানান-বিষয়ক চলমান বিতর্ক নিরসনে বাংলা একাডেমির ভাষ্য’ শিরোনামের ওই নোটিশে যা বলা হয়েছে- তা বিডি হেরাল্ড নিউজের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো:

“‘বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান’ প্রথম প্রকাশিত হয় ১লা ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে। প্রকাশের পর থেকেই একটি অভিধান পুরোনো হয়ে যায় এবং তখন থেকেই শুরু হয় এর পরিবর্ধন ও পরিমার্জনের কাজ। এরই ধারাবাহিকতায় অভিধানটির প্রথম পরিবর্ধিত ও পরিমার্জিত সংস্করণ প্রকাশিত হয় এপ্রিল ২০১৬ সালে। বর্তমানেও এ অভিধানটির সংস্করণের কাজ চলমান আছে। এ কাজ করতে গিয়ে বেশকিছু ভুলত্রুটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ-মাধ্যমে চলমান বানান বিতর্কে যে বিকল্প বানানের কথা বলা হচ্ছে তা ইতোমধ্যে ‘আধুনিক বাংলা অভিধান’-এর পরিবর্ধিত ও পরিমার্জিত সংস্করণে সংযোজিত হয়েছে। এ ছাড়াও বহুল ব্যবহৃত শব্দের বিকল্প বানানও এ সংস্করণে যোগ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে দৈনন্দিন ব্যবহারে থাকলেও এখন পর্যন্ত অভিধানে স্থান পায় নি এমন কিছু নতুন শব্দও সংযোজিত হয়েছে। ‘আধুনিক বাংলা অভিধান’-এর এ সংস্করণটি অচিরেই বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হবে এবং চলমান বানান-বিতর্কের অবসান ঘটবে- এমনটাই প্রত্যাশা।”

 

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বাংলা একাডেমির এ নোটিশটি প্রকাশ করা হয়েছে কি না, জানতে চাওয়া হলে একাডেমির পরিচালক অপরেশ কুমার ব্যানার্জী (জনসংযোগ, তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ বিভাগ) গণমাধ্যমকে বলেন- ‘ফেসবুকে বাংলা একাডেমির কোনো পেইজ নেই।’

বাংলা একাডেমি সংক্রান্ত কোনো তথ্যের জন্য একাডেমির ওয়েবসাইট অনুসরণ করার পরামর্শও দেন অপরেশ কুমার ব্যানার্জী।