বাচ্চাদের অনলাইন ক্লাসের জন্য ফেসবুক নিয়ে আসলো ‘ম্যাসেঞ্জার ফর কিডস’

প্রকাশিত: ৪:৩০ অপরাহ্ণ, জুলাই ৫, ২০২০

 

এই অনলাইনের যুগে ফেসবুকের সঙ্গে পরিচিত না এমন মানুষ হয়তো পাওয়া যাবে না। আর না পাওয়া যাওয়াটাই স্বাভাবিক। ফেসবুক এমন একটি প্লাটফর্ম যা কারো কাছেই অপরিচিত না। ১৬ থেকে ৬০ সবাই ফেসবুক শব্দের সঙ্গে পরিচিত। একটা সময় ছিল যখন ফেসবুক এতটা জনপ্রিয় ছিল না, কিন্তু আজকের দিনে এই তথ্যপ্রযুক্তির যুগে ফেসবুক আমাদের জীবনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

ফেসবুক শুধু এখন একটি সোশ্যাল মিডিয়া নেটওয়ার্ক না, এখন ফেসবুকের মাধ্যমে বা ফেসবুককে ঘিরে মানুষ ব্যবসায় পরিচালনা করছে ও আত্ম-কর্মসংস্থান করে তুলছে। যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয়, সেরা ও সহজ মাধ্যম এখন ফেসবুক। একটি জরিপে দেখা গিয়েছে এশিয়ান মানুষরা তাদের দৈনিক সময়ের ২ ঘণ্টা ১৬ মিনিট ফেসবুক ব্যবহারে ব্যয় করে থাকেন। যার পরিধি দিন দিন বাড়ছে এবং সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আরও অনেক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম।

করোনা পরিস্থিতিতে ফেসবুকের ব্যবহার দিন দিন আরও বাড়ছে। এর কিছু কারণ রয়েছে তার মধ্যে প্রধান ও উল্লেখ যোগ্য কারণ হলো “লকডাউন”। করোনাকালীন সময়ে লকডাউন দিয়ে দেয়ার পর থেকে অফিস থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা হচ্ছে অনলাইনেই। আর ফেসবুক সহজ ও সুবিধাজনক হওয়ায় মানুষের যোগাযোগও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে ফেসবুকের মাধ্যমে।

অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের গাইড করছেন, এসব শিক্ষার্থীদের অনেকেরই বয়স ১৬ এর নিচে। কিছু গবেষণায় বলা হয়েছে ফেসবুক ১৬ বছরের নিচের বাচ্চাদের জন্য নয়। ১৬ বছরের নিচে বা শিশুদের জন্য ফেসবুকে আসলো একটি নতুন অপশন ও অ্যাপ যার নাম “Messenger For Kids” যা আপনি প্লে-স্টোর ও অ্যাপেল স্টোর, উভয় ডিভাইসের জন্যই পেয়ে যাবেন।

মেসেঞ্জার ফর কিডস-এর মাধ্যমে আপনি যেসব সুবিধা পাবেন

১। কিডস অ্যাকাউন্টের ওপর অভিভাবকের ফুল কন্ট্রোল

২। আপনার সন্তান ফেসবুকে কার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবে বা কথা বলতে পারবে তা নির্ধারণ করে দিতে পারবেন

৩। ম্যাসেঞ্জারে কাউকে অ্যাড করতে হলে প্যারেন্টস অ্যাকাউন্টের পারমিশন লাগবে

৪। আপনার সন্তান কার সঙ্গে চ্যাট করছে, কি ছবি বা ভিডিও আদান-প্রদান করছে সব নোটিফিকেশন পাবেন প্যারেন্টস অ্যাকাউন্টে

৫। কিডস অ্যাকাউন্টে কে কল দিচ্ছে, কাকে কল দেওয়া হচ্ছে প্যারেন্টস অ্যাকাউন্টে নোটিফিকেশন যাবে

৬। এই অ্যাকাউন্ট তৈরির জন্য বাচ্চাদের কোন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও ফোন নম্বরের প্রয়োজন নেই

৭। একটি বিশেষ সুবিধা হলো কোন ম্যাসেজ বা কনভারসেশন হাইড করা যায় না, এতে করে খুব সহজেই প্যারেন্টরা মনিটরিং করতে পারবে কিডস কনভারসেশন অ্যাক্টিভিটি

৮। এতে কোন ধরনের অ্যাড শো করবে না, এতে করে বাচ্চার ব্যবহৃত অ্যাপে অ্যাডাল্ট কোন অ্যাড আসবে না

৯। ম্যাসেঞ্জার ফর কিডস-এর সকল ফিচার কিডস ফ্রেন্ডলি, সুতরাং এখানে অ্যাডাল্ট কনটেন্ট আসার চিন্তা থাকবে না

১০। কিডস ইউজাররা যদি কোন কনটেন্ট, ম্যাসেজ বা কোন কিছুতে রিপোর্ট করে তাহলে অভিভাবকদের অ্যাকাউন্টে নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হবে।