বাংলাদেশ থেকে রেমডেসেভির কিনছে ভারতের মহারাষ্ট্র

প্রকাশিত: ৪:৪৭ অপরাহ্ণ, জুন ১৩, ২০২০
কেমন এই পরীক্ষা? গলা বা গলা ও নাকের অংশ থেকে তরল নমুনা নেওয়া হয়৷ তারপর সেই নমুনা বিশেষ অণুবীক্ষণ যন্ত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা করলেই ধরা পড়বে যে সেখানে করোনা ভাইরাস আছে কি না৷ এই পরীক্ষা করতে প্রায় ৫ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে৷ জার্মানিতে এই পরীক্ষা করাতে কোনো খরচ লাগেনা, কারণ তা রোগীর নিজস্ব স্বাস্থ্যবিমার আওতায় থাকে৷

ভারতে করোনা সংক্রামণের সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। সেখানে সবমিলিয়ে ৩ লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের ঘটনা ঘটেছে মহারাষ্ট্র রাজ্যে। সেখানে ১ লাখের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এ অবস্থায় ওই রাজ্য সরকার বাংলাদেশের কাছ থেকে রেমডেসেভির ওষুধ কিনবে বলে জানা গেছে। খবর এই সময়ের।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমটি জানাচ্ছে, মহারাষ্ট্র রাজ্য সরকার বাংলাদেশের কাছ থেকে প্রথমে ৩,০০০ ভায়াল রেমডেসেভির কিনবে। পরে কেনা হবে আরও ১০ হাজার ওষুধ।

জানা যায়, রেমডেসেভির ওষুধ তৈরিতে পেটেন্ট রয়েছে ফার্মাসিউটিক্যাল সংস্থা গিলিয়াড সায়েন্সেসের হাতে। তারা এখনও ভারতকে এই ওষুধ তৈরির ছাড়পত্র দেয়নি। আর এ কারণেই বাংলাদেশ থেকে এই ওষুধ আমদানি করতে হচ্ছে ভারতের এই রাজ্যটিকে।

কোভিড-১৯ এর চিকিৎসায় রেমডেসেভির কার্যকরিতা প্রমাণিত বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এর আগে করোনাভাইরাসের অন্য দু’টি জাত মার্স ও সার্স ভাইরাসের ক্ষেত্রেও এই ওষুধ কার্যকর হয়েছিলো।