প্রস্তাবিত বাজেটে যেসব জিনিসপত্রের দাম বাড়ার আশংকা রয়েছে

প্রকাশিত: ৩:১৩ অপরাহ্ণ, জুন ১২, ২০২০

করোনাভাইরাসের বিপর্যয় মোকাবিলার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশে গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা তিনটায় জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন।

মানুষের জীবন রক্ষা আর জীবিকার নিশ্চয়তা দিতে ‘অর্থনৈতিক উত্তরণ: ভবিষ্যৎ পথ পরিক্রমা’ শিরোনামে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের জন্য ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, যেখানে ৬ শতাংশ ঘাটতির কথা বলা হয়েছে (চলতি বছরের তুলনায় যা ১ শতাংশ বেশি)।

বাজেটে ঘাটতি রয়েছে ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।

করোনাভাইরাস মোকাবিলার জন্য এবার স্বাস্থ্য ও কৃষিখাতকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে।

এই বাজেটে কোভিড-১৯ এ আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে যেসব আমদানিকৃত চিকিৎসা সরঞ্জামের প্রয়োজন, সেগুলোর দাম কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটের আলোকে যেসব জিনিসপত্রের দাম বাড়তে পারে:

বিড়ি, সিগারেট, জর্দা বা তামাকজাতীয় পণ্য।
আমদানি করা পেঁয়াজ, লবন, মধু, দুধ, দুগ্ধজাতীয় পণ্য, চকলেট।
আমদানি করা অ্যালকোহল।
অনলাইন কেনাকাটা।
ইন্টারনেটের খরচ।
মোবাইল ফোনের খরচ ও মোবাইল ফোনের সিম কার্ড।
আসবাবপত্র।
বিদেশি টেলিভিশন।
প্রসাধন সামগ্রী।
সিরামিকের সিঙ্ক, বেসিন।
কার ও জিপের নিবন্ধন ব্যয়।
সাইকেল ও বিদেশি মোটর সাইকেল।
চার্টার্ড বিমান ও হেলিকপ্টার ভাড়া।
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত লঞ্চ সার্ভিস।
আলোকসজ্জা।
ড্রেজার।
লোহা, বাণিজ্যিক যানবাহনের যন্ত্রাংশ, ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ।
ফার্নেস তেল।