প্রস্তাবিত বাজেটে যেসব জিনিসপত্রের দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে

প্রকাশিত: ৩:১৮ অপরাহ্ণ, জুন ১২, ২০২০

করোনাভাইরাসের বিপর্যয় মোকাবিলার লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশে গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা তিনটায় জাতীয় সংসদে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন।

মানুষের জীবন রক্ষা আর জীবিকার নিশ্চয়তা দিতে ‘অর্থনৈতিক উত্তরণ: ভবিষ্যৎ পথ পরিক্রমা’ শিরোনামে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরের জন্য ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে, যেখানে ৬ শতাংশ ঘাটতির কথা বলা হয়েছে (চলতি বছরের তুলনায় যা ১ শতাংশ বেশি)।

এবারের বাজেটে ঘাটতি রয়েছে প্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।

করোনাভাইরাস মোকাবিলার জন্য এবার স্বাস্থ্য ও কৃষিখাতকে ঘিরে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে।

এই বাজেটে কোভিড-১৯ এ আক্রান্তদের চিকিৎসা দিতে যেসব আমদানিকৃত চিকিৎসা সরঞ্জামের প্রয়োজন, সেগুলোর দাম কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটের আলোকে যেসব জিনিসপত্রের দাম কমতে পারে:

এলপিজি সিলিন্ডার।
স্বর্ণ।
স্যানিটারি ন্যাপকিন ও ডায়পার।
জুতা তৈরির কাঁচামাল।
সরিষার তেল।
চিনি।
আলু ও ভুট্টা থেকে স্থানীয়ভাবে প্রক্রিয়াজাত খাবার।
করোনাভাইরাস টেস্ট কিট, মাস্ক, গ্লাভস, পিপিই এবং আইসিইউ যন্ত্রপাতি।
ডিটারজেন্ট।
মৎস্য, পোল্ট্রি ও ডেইরি শিল্পের কাঁচামাল।
রেফ্রিজারেটর ও এয়ারকন্ডিশনারের কম্প্রেসার।
আমদানি করা কৃষিযন্ত্র ও যন্ত্রাংশ।
কাগজ।
প্লাস্টিক ও প্যাকেজিং।
সৌর ব্যাটারি।
পলিস্টার, রেয়ন, কটন ও অন্যান্য সিনথেটিক সুতা এবং টেক্সটাইলের কাঁচামাল।
বেইজ অয়েল, লুব্রিকেটিং অয়েল ও লিক্যুইড প্যারাফিন।

তবে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী, সার, বীজ, কীটনাশক জীবন রক্ষাকারী ওষুধ, কাঁচা তুলোসহ আরও কয়েকটি শিল্পের কাঁচামালের দাম অপরিবর্তিত থাকতে পারে।