পাবলিক টয়লেট ব্যবহারে সতর্কতা !

প্রকাশিত: ৮:৪৭ অপরাহ্ণ, জুন ২৬, ২০২০

 

কাজের প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হয়ে অফিস বা মার্কেটে যাচ্ছেন। এ সময় রাস্তায় কিংবা অফিসে গণশৌচাগার ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে।

 

সংক্রমণের এই সময়ে সচেতনতা আপনাকে সুস্থ রাখবে।

আসুন জেনে নেই এ সময় কী ধরনের সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরী।

কী করবেন

১. বাসা থেকে বের হওয়ার আগে বাথরুম সেরে নিন। বাসা থেকে স্বল্প দূরত্বে কোথাও গেলে চাপ না থাকলেও বাথরুম ব্যবহার করে তার পর বের হন।

২. বার্মিংহামের ‘ইউনিভার্সিটি অব আলাবামা’র নার্সিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক টেডরা স্মিথের পরামর্শ হচ্ছে– খুব বেশি প্রয়োজন না হলে গণশৌচাগার ব্যবহার করবেন না।

৩. এ সময়ে বাসা থেকে বের হওয়ার আগে অতিরিক্ত পানি পান বা কফিজাতীয় পানীয় পান না করাই ভালো।

৪. অফিসে যাওয়ার পথে মাস্ক ব্যবহার করতেই হবে। মাস্ক ব্যবহার করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়।

৫. গণশৌচাগার ব্যবহার করলেও ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। যদি ভিড় বেশি হয়, তবে শৌচাগারের দরজার বাইরে অপেক্ষা করুন।

৬. গণশৌচাগার ব্যবহারের সময় হাত দিয়ে নাক, মুখ ও চোখ স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। কারণ ভাইরাস শরীরে ঢোকার অন্যতম মাধ্যম হাত।
এ ক্ষেত্রে স্মিথ বলেন, ফ্লাশ করা, টয়লেটের সিট নামানো কিংবা দরজার ছিটকানি লাগানো– যা কিছুই স্পর্শ করুন না কেন, অবশ্যই তা ধরার সময় টিস্যু ব্যবহার করুন। কাজ শেষে সাবান-পানি দিয়ে ভালোমতো হাত ধুয়ে নিন। সঙ্গে স্যানিটাইজার রাখুন।

৭. ফ্লাশ করার আগে সিটের ঢাকনা নামিয়ে নিন। কারণ গবেষণায় দেখা গেছে, ফ্লাশ করার পর কমোডে পানির ঘূর্ণি থেকে জীবাণু বাতাসে ভেসে ওঠে। এ সময় টিস্যু অবশ্যই ব্যবহার করুন ও ভালোমতো হাত ধুয়ে নিন।

৮. গণশৌচাগারে যত কম সময় থাকা যায়, ততই ভালো। শৌচাগারে থাকা অন্যান্য মানুষের মধ্যে কে আক্রান্ত তা বোঝা সম্ভব নয়। তাই বাথরুমের কাজ দ্রুত শেষ করে বের হয়ে আসতে হবে।

৯. শৌচাগারে ফোন ব্যবহার করবেন না। ফোনে জীবাণু লাগলে হাত ধুয়ে বের হয়ে আসার পরও ফোন ব্যবহারে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।