পানি কমলেও বেড়েছে দুর্ভোগ

প্রকাশিত: ১২:৪৭ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ৪, ২০২০

দেশের উত্তর ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের নদ-নদী ও বন্যা কবলিত এলাকায় পানি কমলেও বেড়েছে বানভাসী মানুষের দুর্ভোগ। দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। স্কুল কলেজে আশ্রিত মানুষেরা গবাদিপশু নিয়েও পড়েছেন বিপাকে।

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলা। চিনাডুলি ইউনিয়নের বামনা গ্রাম। এখানে ২০টি গ্রামের ১৮টিই প্লাবিত। ১০ দিন ধরে পানিতে তলিয়ে আছে ঘর-বাড়ি ও ফসলি জমি। ফলে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে দুর্গত এলাকার বাসিন্দারা।

উত্তর ও উত্তর পূর্বাঞ্চলে নদ-নদীর পানি কমলেও বাড়ছে ভোগান্তি। সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে পানিবন্দি শত শত পরিবার। তলিয়ে গেছে নিচু এলাকার ঘর-বাড়ি। অনেকে আশ্রয় নিয়েছেন স্কুল কলেজে। গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন পানিবন্দি মানুষ।

সিরাজগঞ্জে পানি কমলেও প্রবল স্রোতে চৌহালি এবং এনায়েতপুরে দেখা দিয়েছে ভাঙন। এখনো পানিবন্দি ৫ উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ। দুর্গত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী না পৌছায় বেড়েছে বানভাসী মানুষের দুর্ভোগ।

কুড়িগ্রামে হাজারো ঘরবাড়ি এখনো ডুবে আছে বন্যার পানিতে। তলিয়ে গেছে ৭ হাজার ৩শ হেক্টর জমির ফসল। দু’দিন ধরে ভারি বৃষ্টিতে সড়ক ও বাঁধে আশ্রিতদের দুর্ভোগ বেড়েছে।

লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতা ও নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৭৮ হেক্টর আবাদী জমির ফসল ।

এদিকে দেশের মধ্যাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। ফরিদপুরের বিভিন্ন ইউনিয়নে চর ও নিম্নাঞ্চলের ৫০টি গ্রামে ঢুকেছে পানি।