দেশে বৈরী আবহাওয়া: বাড়ছে নদ নদীর পানি, ভারী বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের শঙ্কা

প্রকাশিত: ১২:৩৯ অপরাহ্ণ, জুন ১৯, ২০২০

সারা দেশে ৫৮ পয়েন্টে বাড়ছে নদ নদীর পানি। কক্সবাজার চিরিঙ্গাপয়েন্টে মাতামুহুরি নদীর পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে বলে জানিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র। নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা ও নেত্রকোনায় কংস নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি। ডালিয়া, কুড়িগ্রাম, সিংড়া, জারিয়া জানজাইল পয়েন্টে বন্যা সর্তকতা জারি করা হয়েছে।

আবহাওয়া অফিস বলছে, জুনে ভারী বৃষ্টিতে পার্বত্য এলাকায় পাহাড় ধসের শঙ্কা রয়েছে।

মে মাসে দেশে স্বাভাবিক বৃষ্টি হয় ২ হাজার ৩৮৪ মিলিমিটার। তবে এবার হয়েছে ১৭ শতাংশ বেশি, ২ হাজার ৮৮৪ মিলিমিটার। আর জুনে স্বাভাবিক বৃষ্টি ৩ হাজার ৪৮৪ মিলিমিটার হলেও আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এবার ৩৫১ মিলিমিটার বেশি হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশিদ বলেন, বঙ্গোপসাগরে দুইটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। জুন-জুলাই জুড়ে বাংলাদেশসহ ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমে মৌসুমী বাতাসের কারণে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

এরই মধ্যে ব্রহ্মপুত্র ও যমুনায় পানি বাড়তে শুরু করেছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র বলছে, বৃহস্পতিবার কক্সবাজার চিরিঙ্গাপয়েন্টে মাতামুহুরি নদীর পানি বইছে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে। তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে মাত্র ১৫ এবং ধরলায় আছে ২৫ সেন্টিমিটার নদীর পানি।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের পর আসামের শীলচর ও মেঘালয়ে প্রতিদিন গড়ে এক হাজার মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টি হচ্ছে। এর জেরে পানি বাড়ছে মনু, খোয়াই, জাদুকাটা, গোয়াইন নদীর পানি। ১০১টির মধ্যে ৪৫৮টি পয়েন্টে পানি বেড়েছে। ভারী বৃষ্টিতে বন্যার আশংকা রয়েছে ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও মেঘনা অববাহিকায়।

এদিকে, বুধবার কক্সবাজারে বৃষ্টি হয়েছে ৩০২ মিলিমিটার। ভারী বৃষ্টির প্রভাবে পার্বত্য এলাকায় পাহাড় ধস হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস।