দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর বাজেট পরবর্তী প্রতিক্রিয়া

প্রকাশিত: ২:২৬ অপরাহ্ণ, জুন ১৩, ২০২০

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই আগামী অর্থবছরের জন্য ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট জাতীয় সংসদে তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বৃহস্পতিবার (১১জুন) বিকালে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদে ২০২০-২১ অর্থবছরের এই বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী। তার আগে মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর ওই প্রস্তাবে সই করেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

সময়োপযোগী বাজেট

করোনার কারণে অর্থনৈতিক মন্দার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সময়োপযোগী বাজেট দেয়া হয়েছে বলে মনে করছে আওয়ামী লীগ। দুর্যোগ মোকাবেলা করে অর্থনীতির চাকা সচল রাখাই এবারের চ্যালেঞ্জ বলে মত দলটির নেতাদের।

তবে, বিএনপির দাবি প্রস্তাবিত বাজেটে জনগণের জীবন-জীবিকা ও মানবতার বিষয়টি উপেক্ষিত। এছাড়া কালো টাকা সাদা করার প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন আছে তাদের।

অধিবেশন শেষে তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া জানান আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরা। এ সময় কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক জানান, করোনার কারণে সারাবিশ্বই অর্থনৈতিক মন্দার শঙ্কায় আছে। সেটি বিবেচনা করেই এবারের বাজেট, এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে এর বাস্তবায়ন।

জনকল্যাণমুখী বাজেট দিয়েছে সরকার

আর জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানজি এম কাদের বলেন, জনকল্যাণমুখী বাজেট দিয়েছে সরকার।

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ নিয়ে প্রশ্ন বিএনপির

তবে, বরাবরের মতোই প্রস্তাবিত বাজেটের নানা দিক নিয়ে দ্বিমত করছে বিএনপি। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, জিডিপি অর্জন ও রাজস্ব আদায়ে যে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে তা প্রতারণার শামিল। এছাড়া যে প্রক্রিয়ায় কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয়া হয়েছে তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

বিএনপির প্রতিক্রিয়া মনগড়া

এর জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির প্রতিক্রিয়া মনগড়া।

এদিকে বাজেটে বেশ কিছু ইতিবাচক দিক আছে বলে মনে করছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদ। তবে দলটির সভাপতি হাসানুল হক ইনুর দাবি, করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ কম রাখা হয়েছে।