‘তামাক পণ্যের দাম বাড়ালে ১০ হাজার কোটি টাকা বাড়তি রাজস্ব আসবে’

প্রকাশিত: ১২:৫৯ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২০

প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকপণ্যের কর কাঠামোতে এবারো স্বাস্থ্য সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি রক্ষা হয় নি।

বিশ্লেষকরা বলছেন- করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যখাতের খরচ বাড়াতে তামাক খাত থেকেই আরও ১০ হাজার কোটি টাকা বাড়তি আহরণের সুযোগ হাতছাড়া করলো সরকার। এছাড়া, সিগারেটের নিম্নস্তরের দাম অনেক কম থাকায় বিড়ি শিল্পও হুমকিতে পড়লো।

২০২০-২১ সালের বাজেট ঘোষণার পর থেকেই বিড়ি শ্রমিক ও উদ্যোক্তারা নিম্নস্তরের সিগারেট তৈরি করা দেশি কোম্পানির জন্য সংরক্ষণের দাবি জানিয়ে আসছে। এখন সিগারেটের ৭২ শতাংশই কম দামের সিগারেটের দখলে। এই বাজার দখলে রেখেছে বিদেশি কোম্পানিগুলো।

বিড়ি শিল্পের স্বার্থ রক্ষায় সংসদেও দাবি তুলেছেন আওয়ামী লীগের সংদ সদস্য মির্জা আজম।

প্রস্তাবিত বাজেটে ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকার বিড়ির প্যাকেটের দাম ৪ টাকা বেড়ে ১৮ টাকা হয়েছে। আর ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকার প্যাকেটে দাম ২ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৯ টাকা।

কিন্তু, প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্নস্তরে ১০ শলাকার সিগারেট প্যাকেটের দামও বেড়েছে ২টাকাই। এতে শলাকা প্রতি দাম বাড়বে মাত্র ২০ পয়সা। আর মধ্যস্তরের দামে হাতই দেয়া হয় নি। উচ্চস্তর ও প্রিমিয়াম এর সম্পূরক শুল্ক ৪ বছর ধরে এক জায়গায়, ৬৫ টাকাতেই রয়ে গেছে। খুচরায় দাম বাড়ছে মাত্র ৪ শতাংশ। ধুমপান কমাতে এই কর আরও বাড়ানো দরকার ছিলো বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

২০৪০ সালের মধ্যে দেশে ধুমপায়ী বা তামাকসেবীর সংখ্যা শূন্যে নামিয়ে আনা প্রতিশ্রুতি রয়েছে সরকারের।