জোন ভিত্তিক লকডাউন কীভাবে কার্যকর হবে?

প্রকাশিত: ১০:২৭ পূর্বাহ্ণ, জুন ৭, ২০২০

করোনা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে দ্রুত। সরকারি হিসাবেও প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। বাড়ছে মৃত্যুও। টানা ৬৬ দিনের সাধারণ ছুটি, গণপরিবহন-শপিংমল বন্ধসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তাতে সফলতা আসেনি। এখন ভাইরাসের সংক্রমণের মাত্রার ওপর ভিত্তি করে ঢাকাসহ সারা দেশকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আর জোন ভিত্তিক লকডাউন কার্যকর হবে সহসাই।
একটি সূত্র বলছে, আজ রোববার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার বিভিন্ন এলাকাকে রেডজোন ঘোষণা করে তা লকডাউন করে দেয়া হবে।

কতটা কার্যকর এই জোন ভিত্তিক লকডাউন!

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও কোভিড-১৯ বিষয়ক মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান খান জানিয়েছেন, দুই এক দিনের মধ্যে পাইলট ভিত্তিতে রাজধানীর কিছু এলাকায় লকডাউন কার্যকর হবে। তিনি বলেন, শুরুতে আমরা পাড়া, মহল্লা বা ওয়ার্ড এলাকা লকডাউন করবো। শুরুতে সীমিত পরিসরে ঢাকার মধ্যেই লকডাউন করবো। কারণ ঢাকাতেই কোভিড-১৯ এর রোগী বেশি। ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি অনেকটা হ্রাস পাবে।

লকডাউনে পালনীয় কর্তব্য

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেসব এলাকায় রোগী বেশি সেসব এলাকাকে রেডজোন ঘোষণা করা হবে। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ওই এলাকা পুরোপুরি লকডাউন করে দেওয়া হবে। লকডাউন থাকা এলাকার জনসাধারণের প্রবেশ ও বহির্গমন বন্ধ থাকবে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বাসিন্দাদের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া, ইয়েলো ও গ্রিন জোন চিহ্নিত করা হবে। ইয়েলো জোনে কেউ খুব জরুরি প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হতে চাইলে সেই সুযোগ দেওয়া হবে। এ মডেল অনুযায়ী গত শুক্রবার পুরো কক্সবাজার পৌরসভাকে রেড জোন ঘোষণা করে লকডাউন দেয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর গত ১লা জুন সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সংশ্লিষ্টরা সভায় বসেন। ওই সভা শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা সংক্রমণের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন এলাকাকে রেড, ইয়েলো ও গ্রিন জোনে ভাগ করার কথা জানান।