জিয়ার আমলে মানুষ দরজা খুলে রেখে ঘুমাতে পারতো: রিজভী

প্রকাশিত: ১:২১ অপরাহ্ণ, জুন ১৩, ২০২০

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, জিয়াউর রহমান এর কর্মকাণ্ড বলে শেষ করা যাবে না। তার নিজের ও পরিবারের জন্য কোনো চিন্তা ছিলো না। তার চিন্তা ছিলো কীভাবে মানুষের এবং দেশের উন্নয়ন করা যায়। দেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল দেশে পরিণত করা যায়।

আজ শনিবার সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাহবুবুল ইসলাম স্বপনের উদ্যোগে খাবার বিতরণের সময় তিনি এসব কথা বলেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।এ সময় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রিজভী আরও বলেন, স্বাধীনতার পরে দেশে ছিলো দুর্ভিক্ষ, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও লুটতরাজ। ওইখান থেকে জিয়াউর রহমান দেশের মানুষকে স্বস্তি দিয়েছিলেন। দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে স্বনির্ভর করেছিলেন। তখন মানুষের মধ্যে একটা কথা ছিলো, মানুষ দরজা খুলে রেখে ঘুমাতে পারতো। একজন সুশাসক ক্ষমতায় থাকলে এমন টা পারা যায়।জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। আর আওয়ামী লীগ ৭২ সালে সবকিছু বন্ধ করে দিয়ে গণতন্ত্র হত্যা করেছিলো।

তিনি বলেন, করোনা মহামারীর মধ্যেও সরকার মানুষকে হেনস্তা করছে। এই বলছে গার্মেন্টসবন্ধ আবার বলছে খোলা। সরকারের বন্ধ, ছুটি, খোলার তামাশায় ঢাকায় করোনা আক্রান্ত বেশি। মানুষ মারা যাচ্ছে। লাশের সারি দীর্ঘ হচ্ছে। হু করে বাড়ছে করনা আক্রান্ত রোগী। সরকারের অপরিণামদর্শিতা ও দক্ষতার অভাবে করুণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সরকার ৫০ লক্ষ লোককে আড়াই হাজার টাকা করে দিয়েছে। সেখান থেকে আওয়ামী লীগের নেতারাও ৫০০ টাকা করে রেখে দিয়েছে। সরকার যে টাকা দিচ্ছে এই টাকা জনগণের। এর আগে আওয়ামী লীগের লোকেরা ত্রানের চাল ডাল তেল চুরি করছে।আওয়ামী লীগের লোকেরা সব জায়গা থেকে মারিং কাটিং করছে।

বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, বাজেট পাস হওয়ার আগেই প্রতিটি মোবাইল থেকে টাকা কাটা হচ্ছে। বাজেট পাস হয়নি শুধু প্রস্তাব করা হয়েছে। এরমধ্যে টাকা কাটা শুরু হয়ে গেছে। অর্থাৎ জনগণের কাছে সরকারের জবাবদিহি নাই বলে যা ইচ্ছে তাই করছে।