জিয়াউর রহমান বাকশালের কার্যকরী সদস্য ছিলেন: কাদের

প্রকাশিত: ৮:১১ পূর্বাহ্ণ, জুন ১৭, ২০২০
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প থেকে জাতিকে রক্ষা করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বলীয়ান হয়ে সাম্যভিত্তিক সমাজ নির্মাণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ‘গণতন্ত্র‘ প্রত্যয়টির চেয়ে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির উপর জোর দিয়েছিলেন। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি কায়েম না হলে গণতন্ত্র টেকসই হবে না। বাকশাল ছিলো সেই গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার অভিযাত্রা এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান নিজেই বাকশালের কার্যকরী সদস্য ছিলেন।

গতকাল মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে সেতুমন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, বাকশাল কোনো একদলীয় ব্যবস্থা ছিলো না। এটি ছিলো সকল মত-শ্রেণি-পেশার সমন্বয়ে একটি জাতীয় দল। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন, বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে চারটি পত্রিকা ব্যতীত সব সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া হয়।

‘মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জ্ঞাতার্থে জানাতে চাই, তৎকালীন বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় দৈনিক, সাপ্তাহিক ও অন্যান্য মিলে ১২৬টির মতো সংবাদপত্র প্রকাশিত হতো। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবাদপত্রের জগতে বস্তুনিষ্ঠতা ও দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠার জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে গঠিত কমিটির সুপারিশে একটি কাঠামো দাঁড় করিয়েছিলেন মাত্র।’

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, কথায় কথায় বিএনপির নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, দেশে গণতন্ত্র নেই। দেশে যদি গণতন্ত্র নাই থাকে তাহলে বিএনপির নেতৃবৃন্দ কীভাবে সরকারের বিরুদ্ধে এত মিথ্যাচার করার সুযোগ পান? বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্রের নামে হ্যাঁ-না ভোটের মাধ্যমে ৯৯ শতাংশ ভোট ডাকাতির কথা দেশবাসী জানে। সামরিক শাসনতন্ত্রের মোড়কে ১৯৭৯ সালের গণতান্ত্রিক নির্বাচনও দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছিল। সেই ইতিহাস এখনো বই-পুস্তক ও জাতীয় স্মৃতিতে জ্বল জ্বলায়মান। সুতরাং বিএনপির মুখে আর যা-ই হোক গণতন্ত্রের কথা শোভা পায় না। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করে সত্যিকারের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সফল নেতৃত্ব দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা।