চালের বাজার অস্থিতিশীল হলে সরকার কঠোর অবস্থানে যাবে: খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ৮:২৩ পূর্বাহ্ণ, জুন ২৯, ২০২০

কাঙ্ক্ষিত গতি পাচ্ছে না চলতি বোরো মৌসুমের ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান। গত দুই মাসে সারাদেশে সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ৫১ হাজার টন ধান এবং আড়াই লাখ টন চাল।

অথচ সরকারের টার্গেট ৮ লাখ টন ধান এবং সাড়ে ১১ লাখ টন চাল। সরকারি মূল্যের চেয়ে বাজারে দাম বেশি হওয়ায় গুদামে ধান-চাল দিচ্ছেন না কৃষক ও মিলাররা। ফলে বোরো সংগ্রহে বেহাল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।

বাজারে প্রতিদিনই বাড়ছে ধান-চালের দাম। সরকারের অভিযোগ, করোনার মধ্যেও আড়তদার-মিলাররা সিন্ডিকেট করে চালের দাম বাড়াচ্ছে। এমতাবস্থায় মিলারদের কারসাজি রোধে প্রয়োজনে চালের আমদানি শুল্ক তুলে দেয়া হবে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন- ‘আমরা আশা করি মিলাররা সরকারের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ চাল সরকারি গুদামে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে জমা দেবেন। এখন ভরা মৌসুম; এ সময়ে চালের দাম বৃদ্ধির কোনো কারণ নেই। তারপরও চালের দাম বাড়ছে। ইতোমধ্যেই সরকার চাল আমদানি করার চিন্তা-ভাবনা শুরু করেছে।

প্রয়োজনে চালের আমদানি শুল্ক তুলে নেয়া হবে। করোনার সময়ে অপচেষ্টার মাধ্যমে যদি চালের মূল্য বাড়ানো হয়, তাহলে সরকারিভাবেই চাল আমদানি করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। চালের বাজার অস্থিতিশীল হলে সরকার কঠোর অবস্থানে যাবে।’