গরমে স্বস্তি ফেরাবে ‘বাটার মিল্ক’

প্রকাশিত: ১০:০৩ অপরাহ্ণ, জুলাই ২, ২০২০

দুধের গুণাগুণসমৃদ্ধ খাবার হচ্ছে বাটার মিল্ক। দুগ্ধজাত খাবার বাটার মিল্কে দুধের চেয়ে ফ্যাট কম।

দুধ হজম হতে যাদের সমস্যা, তারা প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, মিনারেল সমৃদ্ধ বাটার মিল্ক খেতে পারেন। এতে ল্যাকটিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি থাকায় তা হজম করাও সহজ।

 

১. দই ও দুধ খেতে যারা পছন্দ করেন না, তারা খেতে পারেন বাটার মিল্ক। এতে শরীরের প্রয়োজনীয় তরল, ক্যালরি ও পুষ্টি রয়েছে। ডায়াবেটিস রোগীরা যখন খাবেন, তখন চিনি মেশাবেন না।

২. বাটার মিল্ক হজমেও সাহায্য করে।

৩. এতে ল্যাকটিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি থাকায়, তা ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করে ও পেট পরিষ্কার রাখে।

৪. এই খাবার পেটে গ্যাসের সমস্যা দূর করে। যারা এই সমস্যায় ভুগছেন তাদের জন্য এই পানীয় খুবই উপকারী।

৫. ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধের ক্ষমতা রয়েছে বাটার মিল্কে। শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করতে পারে এই পানীয়।
এ ছাড়া শরীর ঠাণ্ডা রাখে।

যেভাবে তৈরি করবেন-

উপকরণ

১ কাপ টকদই, ২ কাপ ঠাণ্ডা পানি, একটি কাঁচামরিচ, সামান্য আদা, এক টেবিল চামচ কুচানো ধনিয়া পাতা, হাফ চা চামচ জিরা গুঁড়ো, স্বাদমতো বিট লবণ এবং লবণ ও সামান্য চাটমসলা।

প্রণালি

সব উপকরণ একসঙ্গে খুব ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। তার পর গ্লাসে ঢেলে ওপরে ধনিয়াপাতা বা পুদিনাপাতা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।