খাবারে নয়, হোটেল ভাড়ায় টাকা বেশি যাচ্ছে: ঢামেক পরিচালক

প্রকাশিত: ১:০৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ১, ২০২০
ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল

নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবাদানকারী চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের এক মাসের খাবারের বিল ২০ কোটি টাকার বিষয়টি মিথ্যা প্রচার বলে দাবি করলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন।

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন। তিনি বলেন- ‘এখানে খাবারের জন্য টাকাটা খরচ বেশি হচ্ছে না। হোটেল ভাড়ায় বেশি টাকা যাচ্ছে। খাবার ৫০০ টাকা করে প্রতিজনের জন্য বরাদ্দ রয়েছে। আমরা মন্ত্রণালয় থেকে যে অনুমোদন নিয়েছি, সেখানেও বিষয়টি বলা আছে।’

নাসির উদ্দিন বলেন- ‘ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনাভাইরাস চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের খাবারের বিল নিয়ে ওঠা বিতর্কের ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলছেন- বিষয়টি পুরোপুরি মিথ্যা।’

ঢামেক পরিচালক আরও বলেন- ‘ইতোমধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজের প্রায় ১৫০ জনের মতো চিকিৎসক, ২৫০ জনের মতো নার্স এবং ১০০ জনের বেশি কর্মচারী ও আনসার সদস্য করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাই স্বাস্থ্যকর্মীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে হোটেলে রাখা হচ্ছে।’

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম নাসির উদ্দিন বলেন- ‘আমরা হোটেলকে বলেই দিয়েছি, খাবার বাবদ একদিনে ৫০০ টাকার বেশি দিতে পারবো না। এটা দিয়েই ম্যানেজ করতে হবে। তারা তাদের মতো ম্যানেজ করেছে। এছাড়া একদিনে কোনো হোটেলের ভাড়া দুই হাজার টাকা, কোনো হোটেলের ৫০০ টাকা, কোনো হোটেলের আড়াই হাজার টাকা এবং কোনো হোটেলে পাঁচ হাজার টাকাও আছে। হোটেলের ভাড়াই তো ম্যাক্সিমাম খরচ, তারপর হচ্ছে তাদের খাবার ও যাতায়াত।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কোভিড-১৯ রোগীদের চিকিৎসা কাজে জড়িত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী ও স্টাফের থাকা-খাওয়া ও যাতায়াত বাবদ দুই মাসে ব্যয় ধরা হয়েছে ২০ কোটি টাকা। এরই মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় এ টাকা ছাড় করেছে। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে আলোচনার পর, সারাদেশে এ নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।