কোরবানির হাটে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে করোনার সংক্রমণ বাড়তে পারে

প্রকাশিত: ১০:১৭ অপরাহ্ণ, জুলাই ১২, ২০২০
প্রতীকী ছবি

উত্তর ঢাকার ৬টি কোরবানির হাট মূল শহরের বাইরে বসলেও দক্ষিণের ৫টি হাট বসছে মূল শহরেই। আর এসব হাট প্রস্তুতে এরই মধ্যে কাজ শুরু করে দিয়েছেন ইজারাদারা। তাই দক্ষিণ সিটি বলছে- শহরের বাইরে উন্মুক্ত জায়গা না থাকায় এসব এলাকায় হাট বসাতে হচ্ছে তাদের। আর পশুর হাটে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে বলেও সতর্ক করেছেন উত্তর ঢাকার মেয়র।

প্রতিবছরের মতো এবারের ঈদেও কমলাপুর স্টেডিয়ামের পাশে বসছে কোরবানির পশুর হাট। আর ইজারা দেয়ার পর শুরু হয়েছে তার প্রস্তুতিও।

অথচ জাতীয় কারিগরি কমিটির সুপারিশ করেছিলো- মূল শহরে হাট না বসানোর। কিন্তু দক্ষিণ ঢাকার উত্তর শাজাহানপুর, আফতাবনগর, পোস্তাগোলা, হাজারীবাগ ও কমলাপুরে হাট ইজারা দিয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন বলছে- প্রথমে ১৪টি হাটের ইজারার দরপত্র আহ্বান করা হলেও করোনা সংক্রমণ এড়াতে এখন দেয়া হচ্ছে ৫টি। আর সব হাটই উন্মক্ত স্থানে বসছে জানিয়ে প্রধান নির্বাহী বলছেন- দক্ষিণে মূল শহরের বাইরে জায়গা নেই।

তবে জাতীয় কমিটির পরামর্শ মেনে মূল শহরের বাইরে হাট বসাচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি। জায়গা ঠিক করা হয়েছে ডুমনি, কাওলা, সাইদনগর, বছিলা, ময়নারটেক ও উত্তরা ১৭ নম্বর সেক্টরে। এবং স্থায়ী হাট গাবতলীতে। আর ইজারার পরই সেখানে শুরু হয়েছে প্রস্তুতিও। তবে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে থাকার কথা জানিয়েছেন ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

গতবছর দুই সিটিতে কোরবানির অস্থায়ী হাট বসেছিলো ২৩টি। আর এ বছর বসছে মোট ১১টি হাট। তাই কোরবানি পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি মানা সম্ভব না হলে করোনার সংক্রমণ বাড়তে পারে বলেও সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা।