কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না আক্রান্তের মিছিল

প্রকাশিত: ৭:২০ অপরাহ্ণ, মে ২৬, ২০২০
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ফাইল ছবি

রাণঘাতী করোনাভাইরাসের থাবা থেকে কেউই রেহাই পাচ্ছেন না। কোনোভাবেই থামানো যাচ্ছে না আক্রান্তের মিছিল। একে একে সবশ্রেণী পেশার মানুষই আক্রান্ত হচ্ছেন একবিংশ শতাব্দীর সাইলেন্ট কিলার খ্যাত বিশ্ব মহামারি প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস।

তারই ধারাবাহিকতায় এবার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হোন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি গত রবিবার পরীক্ষার মাধ্যমে করোনা পজেটিভের বিষয়টি নিশ্চিত হন।
ড. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, রবিবার ইফতারের আগে আমার জ্বর আসে সেই সঙ্গে কাশি দেখা দেয়। এরপর গণস্বাস্থ্যের কিট দিয়েই পরীক্ষা করি। আর এন্টিজেন পজিটিভ আসে। আমি করোনায় আক্রান্ত হবার কারণে সঙ্গে সঙ্গে আইসোলেশনে চলে যাই। তিনি বলেন, গণস্বাস্থ্যের কিট আছে বলেই সঙ্গে সঙ্গে জানতে পেরেছি। না হলে আমি ১শ’ জনকে আক্রান্তও করে ফেলতে পারতাম। তিনি বলেন, করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ঈদেও আমি কারো সঙ্গে দেখা সাক্ষাত করিনি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।
গণস্বাস্থ্যের করোনা কিট প্রকল্প সমন্বয়কারী ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার জানান, কিডনিজনিত সমস্যায় সপ্তাহে তিনবার করে ডায়ালিসিস করা লাগলেও করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ায় ডা. জাফরউল্লাহর সোমবার ডায়ালিসিস করা হয়নি।
খ্যাতিমান চিকিৎসক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং মুক্তিযোদ্ধা জাফরুল্লাহ চৌধুরী গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র নামক স্বাস্থ্য বিষয়ক এনজিওর প্রতিষ্ঠাতা। ১৯৮২ সালে প্রবর্তিত বাংলাদেশের ‘জাতীয় ঔষধ নীতি’ ঘোষণার ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

উল্লেখ্য, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যমতে আজকের রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ৩৬,৭৫১ জন। আর সুস্থ হয়েছে ৭,৫৭৯ জন এবং মারা গেছে ৫২২ জন। অপরদিকে গোটা বিশ্বে মোট আক্রান্ত ৫৬,০৩,১৪৩ জন। আর সুস্থ ২৩,৮১,৬২০ জন এবং মারা গেছে ৩,৪৮,১৬৭ জন।