করোনায় আটকে গেছে উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যবই রচনা

প্রকাশিত: ১১:৩৩ পূর্বাহ্ণ, জুন ৬, ২০২০

করোনায় আটকে গেছে উচ্চ মাধ্যমিকের পাঠ্যবই রচনা ও মুদ্রণ নিম্নমানের হওয়ায় বেসরকারি খাত থেকে তুলে নেয়া হলো আইসিটি বইটি

করোনা আটকে দিয়েছে উচ্চ মাধ্যমিকের নতুন পাঠ্যবই মুদ্রণ ও রচনা কার্যক্রম। সরকারি তত্ত্বাবধানে থাকা ৪টি বই বিক্রির লক্ষ্যে দরপত্র কার্যক্রম এখন পর্যন্ত শুরুই করা হয়নি। এ চারটির মধ্যে এবার একটি আবার নতুন করে বাজারে যাওয়ার কথা। সেটি রচনার কাজও শেষ হয়নি। মূলত করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে কাজ থমকে আছে বলে জানা গেছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জাতীয় পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক নারায়ণ চন্দ্র সাহা এক গণমাধ্যমকে বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে অন্যান্য কাজের মতো একাদশ শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের দরপত্রের কাজ কিছুটা ধীরগতিতে এগোচ্ছে। তবে আগামী সপ্তাহে এ নিয়ে কাজ শুরু করা হবে। আর যে গ্রন্থটি এবার সরকারিভাবে বাজারজাত করার কথা সেটি রচনার কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। ডিসি সম্মেলনে বইটির মান নিয়ে আপত্তি উঠায় সরকারিভাবে প্রণয়ন ও বাজারজাতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এবার এখন পর্যন্ত উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেয়া হয়নি। এজন্য হয়তো কাজ শেষ করার ক্ষেত্রে আরও কিছুটা সময় পাওয়া যেতে পারে।

সূত্রমতে, এই স্তরের ৩৯টি বই আছে। এর মধ্যে এতদিন ৩টি বই বাজারজাত করে আসছিলো সরকার। এনসিটিবি দরপত্রের মাধ্যমে আগ্রহী প্রকাশকদের বাজারজাতের কাজ দেন। বিনিময়ে ১১ শতাংশ হারে রয়্যালটি নেয় সরকার। চলতি বছর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) নামের বইটিও সরকারিভাবে বাজারজাত করার সিদ্ধান্ত আছে। জানা গেছে, অন্য ৩৬টির সঙ্গে এতদিন আইসিটি গ্রন্থটিও বেসরকারি প্রকাশকরা সরকারি কারিকুলামের আলোকে প্রণয়ন করে এনসিটিবি থেকে অনুমোদন নিতেন। কিন্তু আইসিটি গ্রন্থটি কারিকুলামের সঙ্গে ততটা মিল নেই। বিশেষ করে একেক প্রকাশক একেকভাবে গ্রন্থটি রচনা করেছেন। আবার অনেকে গ্রন্থটি দুর্বোধ্য করে রচনা করেছেন। এসব বিষয়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনেও আলোচনা হয়েছে। এরপরই গ্রন্থটি সরকারিভাবে রচনা ও বাজারজাতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হতে পারে জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহে

উল্লেখ্য, এদিকে এবার এখন পর্যন্ত উচ্চ মাধ্যমিকে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর ঘোষণা দেয়া হয়নি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জুলাইয়ের দ্বিতীয় সপ্তাহে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হতে পারে। আর ক্লাস শুরু হতে পারে সেপ্টেম্বরে।