করোনাকালে মেডিকেল ক্যাম্প নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে রাব্বানী

প্রকাশিত: ৯:১৯ অপরাহ্ণ, জুলাই ৪, ২০২০

করোনা মহামারীতে কর্মহীন অসহায়দের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ভিটামিন, ক্যালসিয়াম ও জিংক ট্যাবলেট প্রদান কর্মসূচি পালন করেছেন ডাকসুর সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী। তাঁর সঙ্গে সুরক্ষা সামগ্রী হিসেবে দিচ্ছেন ১০টি করে সার্জিক্যাল মাস্ক।

গতকাল শুক্রবার থেকে রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় এই কর্মসূচি পালন করা হয়েছে বলে জানান গোলাম রাব্বানী।

করোনা প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই অসহায় দরিদ্র মানুষের জন্য ‘দেশরত্ন শেখ হাসিনার ভালোবাসার উপহার’ ব্যানারে ওই কর্মসূচি পালন করছেন রাব্বানী।

ডাকসুর সদ্য সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী গণমাধ্যমকে বলেন- ‘আমি করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকে বিভিন্নভাবে সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করছি। তার ধারাবাহিকতায় গত সপ্তাহ থেকে আমি মেডিকেল ক্যাম্প করে সাধারণ রোগীদের ডাক্তার দেখানোর ব্যবস্থা করছি। যা চলমান রয়েছে।

ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকে সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে আসছে।

২০১৮ সালে ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলনে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও গোলাম রাব্বানীকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়। দায়িত্ব প্রাপ্তির ১১ মাস পর বিতর্কিত কর্মকাণ্ড আর চাঁদাবাজির অভিযোগে তাদেরকে সরিয়ে দেয় ছাত্রলীগের মাদার সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

তখন প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি লিখেন রাব্বানী। ওই চিঠিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে চাদাঁ চাওয়া প্রসঙ্গে রাব্বানী লিখেন- ‘জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অভিযোগ আপনার (প্রধানমন্ত্রী) কাছে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। উপাচার্য ম্যামের স্বামী ও ছেলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে ব্যবহার করে কাজের ডিলিংস করে মোটা অঙ্কের কমিশন বাণিজ্য করেছে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ঈদুল আজহার পূর্বে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগকে ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা দেওয়া হয়। এ খবর জানাজানি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি শুরু হয় এবং এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্য ম্যাম আমাদের স্মরণ করেন। আমরা দেখা করে আমাদের অজ্ঞাতসারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে টাকা দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন তোলায় তিনি বিব্রতবোধ করেন। নেত্রী, ওই পরিস্থিতিতে আমরা কিছু কথা বলি, যা সমীচীন হয় নি। এজন্য আমরা ক্ষমাপ্রার্থী।’

তবে ওই চিঠি কোনো কাজে আসে নি শোভন-রাব্বানীর। বরং তাদের সরিয়ে সেখানে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয় তৎকালীন সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে। পরে তাঁদের পূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এরপর থেকে ডাকসুর ব্যানারে বিভিন্ন সামাজিক কাজ করলেও বর্তমানে ডাকসুর মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার পর দায়িত্ব ছেড়ে দেন রাব্বানী।