কথা বলার জায়গা সৃষ্টি হলেও শিক্ষার্থীদের সামগ্রিক প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ এবারের ডাকসু

প্রকাশিত: ৪:৩৮ অপরাহ্ণ, জুন ২৪, ২০২০

শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশার বেশিরভাগই পূরণ করতে পারেন নি ডাকসু নেতারা। পূরণ হয় নি ইশতেহারও। মেয়াদজুড়েই নানা সময়ে নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে ছিলেন তারা। স্বীকারও করছেন বিদায়ী নেতারা। তারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অসহযোগিতা এবং নিজেদের মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণেই এ অবস্থা হয়েছে।

নানা আন্দোলন, আইনি লড়াই শেষে দীর্ঘ ২৮ বছর পর গত বছরের ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হয় ডাকসু নির্বাচন। এতে ভিপি নির্বাচিত হোন নুরুল হক নূর, জিএস গোলাম রাব্বানী এবং এজিএস নির্বাচিত হোন সাদ্দাম হোসেন। এই সংসদের মেয়াদ চলতি বছরের ২২ মার্চ এক বছর পূর্ণ হয়। তবে এই সময়ের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত না হওয়ায় মেয়াদ আরও ৯০ দিন বাড়ানো হয়। সেই সময়ও শেষ হয় গতকাল।

এই মেয়াদে কতটুকু কার্যকর ছিলো ডাকসু সেই বিষয়ে শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, প্রত্যাশার বেশিরভাগই পূরণ হয় নি। ডাকসু নেতাদের নিজেদের মধ্য কাঁদা ছোড়াছুড়িসহ নানা সমালোচনার মধ্যে কেটেছে মেয়াদ। তবে শিক্ষার্থীদের কথা বলার একটি জায়গা তৈরি হয়েছে।

ডাকসুর বিদায়ী নেতারাও স্বীকার করছেন এ অভিযোগ। তবে উন্নয়ন ফি কমানো, সান্ধ্যকালীন কোর্স বন্ধে জোরেসোরে প্রতিবাদ তোলা, ছাত্রীদের সুবিধার জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন চালু করাসহ বেশ কিছু কার্যক্রমও চালিয়েছে তারা।

সেই সাথে গণরুম সমস্যাসহ নানা সমস্যা দূরের উদ্যোগ নিলেও প্রশাসনের অসহযোগিতার কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয় নি বলে অভিযোগ ডাকসু নেতাদের।

বিশ্ববিদ্যালয় খুললে দ্রুত নির্বাচন দেয়ার দাবি জানিয়েছেন বিদায়ী নেতারা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, গঠনতান্ত্রিক উপায়ে সিদ্ধান্ত হবে।