আরিরাং ফ্লাইং স্কুল বন্ধের সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত: ৯:৩২ অপরাহ্ণ, জুলাই ৪, ২০২০

নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) অব্যাহত সংকটের মধ্যেই কার্যক্রম গোটানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় পাইলট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আরিরাং ফ্লাইং স্কুল। আর এতে অনিশ্চয়তায় পড়েছে স্কুলের অর্ধশতাধিক প্রশিক্ষণার্থী। তবে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলছে- এভাবে মাঝপথে প্রশিক্ষণ বন্ধ করে দেয়ার কারণ জানতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছি আমরা।

বর্তমানে দেশে পাইলট প্রশিক্ষণ একাডেমি আছে মোট ৩টি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন আরিরাং ফ্লাইং স্কুলে। গত ২৮ জুন আকস্মিক ভাবেই স্কুলের কার্যক্রম বন্ধের ঘোষণা দেয় আরিরাং ফ্লাইং স্কুলের কর্তৃপক্ষ।

২০১০ সালে অনুমোদন পাওয়া এই একাডেমিতে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী। যদিও কার্যক্রম বন্ধের কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ দেখাতে পারে নি দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক এই স্কুল কর্তৃপক্ষ। তবে এক কর্মকর্তার অভিযোগ, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের অসহযোগিতায় স্কুল পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়েছিলো।

একাডেমিগুলো বলছে- প্রশিক্ষণের জন্য জ্বালানির দামে অসামঞ্জস্যতার কারণে টিকে থাকাই কঠিন হয়ে পড়েছে তাদের। সাম্প্রতিক বাণিজ্যিক বিমান সংস্থাগুলোর জন্য জেট ফুয়েলের দাম লিটারপ্রতি ১৪ টাকা কমানো হলেও প্রশিক্ষণ একাডেমিগুলো সে সুবিধা পায় না।

তবে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলছে- হঠাৎ কার্যক্রম গোটানোয় আরিরাংয়ের কাছে কারণ জানতে চাইবে তারা।

প্রশিক্ষণ বিমান উড়াতে ব্যবহার করা হয় এভি গ্যাস। বিমানবাহিনী ও দুটি বেসরকারি ফ্লাইং একাডেমি গড়ে বছরে এক লাখ লিটার গ্যাস ব্যবহার করে। প্রতি লিটার গ্যাসের দাম ২৫২ টাকা।