অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণেই ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন এলাকাবাসী

প্রকাশিত: ৫:৪৮ পূর্বাহ্ণ, জুলাই ১১, ২০২০

বন্যার পানি কমার সাথে সাথে ভাঙনও দেখা দিয়েছে উত্তরের কয়েকটি জেলাসহ কুষ্টিয়াতে। আর বেশ কিছু এলাকায় বাঁধ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তাঘাট ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বহু ঘরবাড়ি। এজন্য বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম ও নজরদারির অভাবেক দুষছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। আর অন্যদিকে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

তিস্তার পানি কমে ভাঙন দেখা দিয়েছে রংপুরের কাউনিয়া ও গঙ্গাচড়ার ৫ ইউনিয়নে। ক্ষতিগ্রস্ত ফসলি জমি ও রাস্তা ঘাট। জিও ব্যাগ ফেলছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

যমুনার পানি কমার সাথে সাথে ভাঙন দেখা দিয়েছে সিরাজগঞ্জ সদর, কাজীপুর ও চৌহালি উপজেলার নদী তীরবর্তী এলাকায়। দুর্গতরা আশ্রয় নিয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধে।

শেরপুরে নকলায় ব্রক্ষপুত্র নদের ভাঙনে বিলীন হওয়ার পথে নারায়ণখোলা গ্রাম। আর এরই মধ্যে নদীগর্ভে হারিয়ে গেছে শতাধিক বাড়িঘর।

পদ্মার ভাঙনে হুমকিতে রবীন্দ্র স্মৃতি বিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়িসহ কয়েকটি গ্রাম। তাই এলাকাবাসীর অভিযোগ, অপরিকল্পিত বাধ নির্মাণের কারণে ঠেকানো যায় নি ভাঙন। তবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

২০১৮ সালে প্রায় ১৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে শিলাইদহে বাধ নির্মাণ করা হয়। তবে অভিযোগ আছে, সে সময় অরক্ষিত রেখে দেয়া হয় কুমারখালীর প্রায় দেড় কিলোমিটার অংশ।