অনেকে আমার খেলাই দেখেনি, কিন্তু সমোলোচনা করে- খালেদ মাহমুদ সুজন!

প্রকাশিত: ৪:৩৪ অপরাহ্ণ, মে ২৮, ২০২০
বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ক্রিকেট ভক্তদের সমালোচনার অন্যতম একটা বিষয়বস্তু বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক পেস বোলিং অল-রাউন্ডার খালেদ মাহমুদ সুজন। অতীত কিংবা বর্তমান সব কিছুতেই খালেদ মাহমুদ সুজনের সমালোচনার ঝুড়ি মেলা ভার। মাঠের সুজনের বোলিং নিয়ে ক্রিকেট সমর্থক দের খোচাঁনো যেনো অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। তবে এসব নিয়ে খালেদ মাহমুদ সুজনের কোনো মাথা ব্যাথা নেই। এসব কথায় পাত্তা দেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি ফেইসবুকে নট আউট নুমানের লাইভ আড্ডায় সুজন জানান, ‘ক্রিকেটে আমাদের একটা কথা আছে- যে জিনিস নিয়ন্ত্রণের বাইরে তাকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করো না। যেটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব আমি সেটাই নিয়ন্ত্রণ করতে চাই। যারা এসব বলেন তারা কেন বলেন আমি জানি না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমি এত সক্রিয় নই।’
নিজের ক্যারিয়ারে কম গতির জন্যে অনেক ট্রলের শিকার হতে হয় খালেদ মাহমুদ কে। এ নিয়ে তাকে গতিদানব বলেও ক্রিকেট সমর্থকেরা নিন্দা করতে শোনা যায়। এব্যাপারে তিনি জানান, ‘একটা সময় ১৩৫ এর আশেপাশে নিয়মিত বল করেছি। এমনকি চামিন্দা ভাস ও ক্যারিয়ারের পড়ন্ত বেলায় ১১০-১১৫ গতিতে বল করতেন বলেও তিনি জানান।’
সুজন বলেন, ‘গতিদানব যে কথাটা আছে… আমি কিন্তু একদম খারাপ গতিতেও বল করিনি একসময়। ১৩৭ কিমি. সর্বোচ্চ গতি ছিল, এত কম নয়। যখন ছন্দে ছিলাম ১৩৫ এর মত গতিতে বল করেছি। চামিন্দা ভাস ১৪০ কিমি. গতিতে বল করেছে আবার শেষদিকে এসে ১১০-১১৫ কিমি. গতিতেও বল করেছে। আমি অবশ্য নিজেকে উনার সাথে তুলনা করি না।’
খালেদ মাহমুদ সুজন আরো যোগ করেন, ‘ঢাকার উইকেটে খেলার সময় গতির কথা চিন্তা করলে বল বারবার মাঠের বাইরে থেকে নিয়ে আসতে হত। আমরা তখন চিন্তা করেছি কীভাবে কাটার শিখতে পারি, কাটার নিয়ে অনেক কাজ করেছি।  শচীন টেন্ডুলকার, বীরেন্দর শেবাগ- যত বড় উইকেট পেয়েছি সব লেগ কাটারে পেয়েছি। এজন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অনুশীলন করতে হয়েছে।’
এমনকি তখন খালেদ মাহমুদ সুজন আরো জানান যারা নিন্দা করেন তাদের বিপক্ষে তার কোনো অভিযোগ নেই। তিনি জানান, ‘আমার কোনো অভিযোগ নেই। মানুষ যা বলার সেটা বলবেই। অনেকে হয়ত খেলাই দেখেনি আমার কিন্তু আমাকে নিয়ে অনেক কথা বলে। এগুলো নিয়ে আমার এত বেশি মাথাব্যথা নেই।’
দিন শেষে একটা কোচ কিংবা খেলোয়াড় ক্যারিয়ারের সব দিক দিয়ে পারফেক্ট হবে এমন কোনো কথা নয়। আমাদের ভুলে গেলে চলবে না আমাদের অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ শিরোপা জেতা ছিলো খালেদ মাহমুদ সুজনের ২ বছর কষ্টের ফসল! তাই উচিত আমাদের সকলের এমন মানসকিতা পরিহার করে তার উপর আস্থা রাখা।